ডিএসইর লেনদেন ফের ৫০০ কোটি টাকার কম

আপডেট : ০৪ জুন ২০১৫, ১৬:৫০
 
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন হঠাত্ করেই কমে গেল। এক কর্মদিবসের ব্যবধানে ডিএসইর লেনদেন এক হাজার কোটি টাকা থেকে ৫০০ কোটি টাকার নিচে নেমে এসেছে। বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৯৯ কোটি টাকার, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় ৩১ শতাংশ কম। 
 
এ দিকে, বাজারে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারদর কমলেও ডিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক বেড়েছে। বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর বাড়ায় সূচক বেড়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। 
 
লেনদেন কমে যাওয়া প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন—বিনিয়োগকারীরা বাজেটের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। বাজেটে বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক হলে লেনদেন আগামীতে ভালো হবে।
আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে—আসন্ন বাজেটের গতি প্রকৃতি সম্পর্কে বিনিয়োগকারীরা পর্যবেক্ষণ করছেন। এ জন্য সূচক অনেকটা অপরিবর্তিত থাকলেও লেনদেন কমে গেছে। লেনদেনের পরিমাণ বিনিয়োগকারীদের পর্যবেক্ষণকে ইঙ্গিত করছে। 
 
এ দিকে, বাজারে লেনদেনের ক্ষেত্রে জ্বালানি খাত শীর্ষে ছিল। এ খাতে লেনদেন হয়েছে ১৩০ কোটি টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ২৬ শতাংশেরও বেশি।
 
তথ্যে দেখা গেছে—ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৪ বেড়ে ৪ হাজার ৫৯১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ৭ বেড়ে ১ হাজার ৭৬৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪৯৯ কোটি ২৫ লাখ টাকার, যা আগের দিনের চেয়ে ২২৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩১০টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১১২টির, কমেছে ১৬০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৮টি কোম্পানির শেয়ারের। 
 
অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩৩ বেড়ে ১৪ হাজার ১৯০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১০১ কোটি ১১ লাখ টাকার। লেনদেনকৃত ২২৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৮১টির, কমেছে ১১৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টি কোম্পানির শেয়ারের দর।