আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটকে পুঁজিবাজার-বান্ধব বাজেট উল্লেখ করে সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।
বৃহস্পতিবার বাজেট ঘোষণার পর ডিএসইর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়—বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে শিল্পায়ন এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে যুগোপযোগী বাজেট পেশ করা হয়েছে। বিশেষত, পুঁজিবাজারকে সম্প্রসারিত ও গতিশীল করার জন্য পুঁজিবাজারের প্রতি সরকারের বিশেষ গুরুত্বারোপ বাজারের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ। পুঁজিবাজারকে ঘিরে সরকারের এই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও মনোভাবের কারণে দেশের শিল্পায়নের গতি তরান্বিত হওয়ার মাধ্যমে পুঁজিবাজার আরও বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
ডিএসই আশা প্রকাশ করেছে—সরকারের ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য যে সব প্রস্তাব রাখা হয়েছে, তাতে বাজারে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হবে। বেসরকারিখাতের শিল্পোদ্যোক্তারা তাদের কোম্পানির জন্য পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তিতে আগ্রহী হবে। এতে শিল্পখাত আরো শক্তিশালী ও বিকশিত হয়ে দেশে বিনিয়োগ-বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হবে, যা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আরো বেশি আকৃষ্ট করবে। আগামী অর্থবছরের বাজেটে পুঁজিবাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আরো কোম্পানিকে আকৃষ্ট করতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করের হার কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হতে প্রাপ্ত নগদ লভ্যাংশ আয়ের ওপর করমুক্ত সীমা ৫ হাজার টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ ছাড়া, স্টক এক্সচেঞ্জের দাবির প্রেক্ষিতে কোম্পানি বা অংশীদারি ফার্ম কর্তৃক পুঁজিবাজারের বিনিয়োগ হতে অর্জিত মূলধনী মুনাফার ওপর উেস কর কর্তনের বিধান প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে উক্ত কর রিটার্ন জমা দেয়ার সময় বলবত্ থাকবে। বন্ড মার্কেট উন্নয়নের স্বার্থে ট্রেজারি বন্ড এবং ট্রেজারি বিলের সুদের ওপর ক্রয়কালেই উেস কর কর্তনের বিধান প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
