সরকারের নানামুখী সফলতা থাকলেও গত কয়েক বছর ধরে বিনিয়োগে মন্দা ছিল অন্যতম আলোচিত বিষয়। এই মন্দা কাটাতে এবারের বাজেটে বেশকিছু উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। বিশেষত কোম্পানির কর্পোরেট করহারে ছাড় দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে বেশকিছু খাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কর অবকাশের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কর অব্যাহতি ও রেয়াতি হারে কর দেয়ার ব্যবস্থার কথাও জানানো হয়েছে। অন্যদিকে বিনিয়োগকারীদের জন্য সামান্য শুল্কে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির সুযোগ বিদ্যমান রয়েছে।
বাজেট প্রস্তাবে নতুন গাড়ি (অটোমোবাইল) উত্পাদন শিল্প, টায়ার, পরিবেশবান্ধব ইট শিল্প ও বাই সাইকেল শিল্পকে কর অবকাশ দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকে উত্সাহিত করতে বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন অনিবাসী বিনিয়োগকারীদের দেশে ব্যবসারত বিদেশি কোম্পানির পরিচালক হওয়ার ক্ষেত্রে টিআইএন (কর সনাক্তকরণ নম্বর) সনদ দাখিলের শর্ত শিথিল করা হয়েছে। দেশে তৈরিকৃত সফটওয়্যার শিল্পের উন্নয়নের স্বার্থে আইটিইএস ও এনটিটিএন খাতে অর্জিত আয়কে ২০২৪ সাল পর্যন্ত করমুক্ত ঘোষণা দেয়া হয়েছে। আমদানিকৃত সফটওয়্যারে ১০ শতাংশ পর্যন্ত অবচয় ভাতা অনুমোদন এবং গাড়ির ক্রয়মূল্যের ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অবচয় সুবিধা দেয়া হবে।
ব্যবসায়ে ব্যবহূত স্থায়ী সম্পত্তির অবলোপন ভাতা অনুমোদন, টেক্সটাইল ও পাটজাত শিল্পের আয়ের উপর হ্রাসকৃত হারে কর আরোপের সময়সীমা ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাড়ানোসহ বেশ কিছু সুবিধার কথা ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী।
