[ভূ-ভারতের অধিপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ নরেন্দ্র মোদী একজন কবিও বটে। তার শত ব্যস্ততা, কাজের একের পর এক সময়চক্রের ভেতরেও নিজের জন্য ছোট্ট একটু সময় বের করে বসে পড়েন চেয়ার-টেবিলে। তারপর লিখেন কবিতা, উপভোগ করেন নিজের লেখাটুকু, আর সেই লেখা দিয়েই আবার সামাজিক গণমাধ্যমে নিজেকে অন্য সকলের কাতারে মিশিয়ে তৈরি করেন সম্পর্কের অন্য এক সেতু। সেটা কোনো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, কেবল একজন কবি হিসেবেই। নরেন্দ্র মোদী কবিতা লেখেন তরুণ বয়স থেকেই। ২০০৭ সালে যখন তিনি তৃতীয়বারের মতো গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন তখন তার কবিতার বই ‘আওয়ার আইস আর সো ব্লিসড’ প্রকাশিত হয়। মোদী নিজের বক্তৃতায় প্রায়ই নিজের কবিতা থেকে আবৃত্তি করতে ভালোবাসেন। মোদীর কবিতায় প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা, নিখাদ প্রেমই ফুটে উঠেছে বেশি।]
কৃতজ্ঞতা
পৃথিবীটা কত সুন্দর
বুজে আসে চোখদুটো কৃতজ্ঞতায়
এখানে রবি ঢেলে দেয় অফুরান ভালোবাসা
সবুজ ঘাসে
মিহি বাতাসে উড়ে যায়, ছোঁয়া যায় না।
মোহনীয় নীলাম্বর
আর পৃথিবী যেন ভরে আছে ভালোবাসায়
রঙধনুর নানা রঙ মুকুলিত হয়েছে আকাশে আকাশে
নানা রঙের চক্র মিশে আছে বাতাসে বাতাসে
কোন অতীতে জন্মেছিল এত কিছু
জীবন সত্যিই মোহনীয় ভরপুর কৃতজ্ঞতায়
সাগর চেয়ে আছে আকাশের দিকে উন্মুখ হয়ে
মেঘের কোলে কী ভেসে বেড়ায় কে জানে
এই সব না জানার ভেতরেই আছে জানার কিছু
ভুবন সত্যিই প্রেমময়
মানুষের মাঝে মিশে গিয়ে আমি চিনেছি নিজেকে
সব কিছু বড্ড আলাদা
বড় বেশি রহস্যময়
আমার প্রিয় পৃথিবী সত্যিই কৃতজ্ঞ আমি তোমার কাছে।
(সূত্র :‘আওয়ার আইস আর সো ব্লিজড’ কাব্যগ্রন্থ ২০০৭)
নুবাদ : রফিক হারিরি
