কিছুদিন ধরেই কেমন যেন খসখসে লাগছে হাত-পায়ের চামড়াগুলো? কেমন রুক্ষ হয়ে উছে মুখের ত্বক? অথবা অনেকটা বেশি তেলতেলে! যেন একেবারেই অচেনা। হবেই তো! ত্বকে আপনার ব্যবহৃত নানা রকমের মেক-আপেরই পর এটা। অনেকেই আছেন নিজের ত্বক সম্পর্কে কোন ধারনা না রেখেই ইচ্ছেমতন প্রসাধনী ব্যবহার করেন। কিন্তু সব ধরনের প্রসাধনী যে সব ত্বকের উপযোগী নয় সেটা একেবারেই ভুলে যান তারা। ফলে শেষমেশ ভুগতে হয় বেচারা ত্বককে। আর এইসব সমস্যা থেকে বাঁচতেই তাই চিনে নিন আপনার ত্বককে।
১. সাধারন ত্বক- সাধারন ত্বক এমনিতে ভালো থাকলেও প্রতি মৌসুমেই এরা বদলে যায়। যেমন- শীতকালে হয়ে ওঠে অনেকটা খসখসে আবার গরমে অনেকটা তেলতেলে।
২. শুষ্ক ত্বক- গরমের সময়েও যখন প্রচন্ড রকম শুষ্ক থাকবে আপনার ত্বক বুঝে নিন যে এটা শুষ্ক। বয়স বাড়লেও এমনটা হতে পারে। এর মূল কারন হচ্ছে তৈলগ্রন্থিদের অকার্যকরিতা। এচাড়াও প্রসাধনী, পরিষ্কার-পরিচ্ছনতার অতিরিক্ততা অথবা খাবারের নিয়মও হতে পারে আপনার এমন শুষ্ক ত্বকের কারন। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অ্যালকোহলজাতীয় দ্রব্য থেকে দূরে থাকুন আর জোর দিন মশ্চেয়ারাইজারের ব্যবহারের ওপর।
৩. তৈলাক্ত ত্বক- দিনের শুরুটা ভালো হলেও মাঝখানে অথবা শেষের দিকে বেশ অপরিষ্কার লাগছে ত্বককে? একটা কাগজ নিয়ে খানিকটা আলতো ঘষা দিন মুখে। হতে পারে ঘুম থেকে উটে অথবা দিনের শেষে। যদি সেটায় তেলের ছাপ পড়ে তাহলে বুঝে নিন আপনার ত্বক তৈলাক্ত। তৈলাক্ত ত্বক থেকে দূরে থাকতে-
ক. শুনতে খানিকটা অদ্বূত শোনালেও নিজের বিছানার চাদর আর বালিশের কভার বদলে ফেলুন।
খ. তৈলাক্ত পাউডার বা ক্রিম অথবা যেকোন প্রসাধনী থেকে দূরে থাকুন।
গ. সারাদিনে মুখ থেকে হাত দূরে রাখুন।
৪. মিশ্র ত্বক- মিশ্র ত্বক শুষ্ক নয়অ আবার তৈলাক্তও নয়। অদ্ভূত এই ত্বকের খানিকটা শুষ্ক তো খানিকটা তৈলাক্ত। আর তাই খানিকটা মেপে মেপে ব্যবহার করুন মেক-আপ বা অন্য যে কোন প্রসাধনী এই ধরনের ত্বকে।
৫. প্রতিক্রিয়াশীল ত্বক- এই ধরনের ত্বক খুব সহজেই মেক-আপ, ক্রিম, সাবার বা যেকোন প্রসাধনীর সংস্পর্শে এসে প্রতিক্রিয়া করা শুরু করে। আর তাই
ক. রুক্ষ ফেসওয়াশ থেকে দূরে থাকুন।
খ. সুগন্ধহীন মশ্চায়রাইজার ব্যবহার করুন।
গ. গন্ধহীন প্রসাধনী ব্যবহার করুন।
