যশোরে ইজিবাইক ও ব্যাটারি চালিত রিকশা চালকদের সংঘর্ষে ব্যাপক ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দুপুরে শহরের বিভিন্নস্থানে উভয়পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় শতাধিক ইজিবাইক ও রিকশা ভাংচুর হয়েছে। অন্তত ১০ জন চালক আহত হয়েছেন। ৫ জনকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর বিকালে গোটা শহর বাহনশূন্য হয়ে পড়ে। দুর্ভোগে পড়তে হয় শত শত মানুষকে।
ইজিবাইক চালকরা জানান, ১ জুন থেকে যশোরের মোটরচালিত রিকশা চলাচল বন্ধ করেছে প্রশাসন। রিকশা চালকরা ইজিবাইকও বন্ধের দাবি করে আসছিল। রবিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রিকশা চালকরা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে শহরে মিছিল করে। এক পর্যায়ে মিছিল থেকে শহরের বিভিন্নস্থানে হামলা চালিয়ে অর্ধশতাধিক ইজিবাইক ভাংচুর করা হয়। এসময় লিটন, আমিরুল, আজিজুল, শাহাদাত, ফারুক, রাকিব, রবিউল, জয়নাল ও আজিজুল নামের অন্তত ১০ জন ইজিবাইক চালক আহত হন। এর পর ইজিবাইক চালকরা সংগঠিত হয়ে শহরের মোড়ে মোড়ে রিকশা ভাংচুর করে।
কয়েকজন রিকশা চালক জানান, ইজিবাইক চালকরা হামলা চালিয়ে সব রিকশা চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে।
যশোর কোতোয়ালী থানার ওসি শিকদার আক্কাছ আলী জানান, হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় শহরে ইজিবাইক ও রিকশা চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ইজিবাইক ও রিকশা চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।
