পুঁজিবাজারে বড় দরপতন

আপডেট : ০৮ জুন ২০১৫, ১৮:২৯
আগামী অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পরদিন রবিবার পুঁজিবাজারে সূচকের উঠানামা কম হলেও সোমবার বড় ধরনের পতন হয়েছে। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক কমেছে ১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচক কমেছে আড়াইশ পয়েন্টেরও বেশি। 
 
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত কয়েকদিন ধরে বাজারে দর বৃদ্ধির প্রবণতা ছিল। ফলে এখন কিছুটা দর সংশোধন হচ্ছে। এখানে বাজেটের প্রভাব কম। তবে বাজেটে পুঁজিবাজারের জন্য নেতিবাচক কিছু নেই। বরং কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ রয়েছে। ফলে বাজেটের প্রভাবে বাজারে দরপতনের সুযোগ নেই।
 
আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, কয়েকদিন আগেও ডিএসইর সর্বনিম্ন সার্বিক মূল্য সূচক ছিল ৩ হাজার ৯৫৯ পয়েন্টে। অনেক কোম্পানির শেয়ার মূল্য কম থাকা এবং বাজেটীয় প্রত্যাশায় সেখান থেকে সূচক উঠে এসেছে সাড়ে চার হাজার পয়েন্টে। বাজেটীয় পদক্ষেপের প্রভাব শেষ হয়ে বাজারে এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে কোম্পানির লভ্যাংশ দেয়ার প্রবণতার উপর দামের ওঠানামা। এতে কিছু কোম্পানির শেয়ারদর কমে গেছে। এদিকে বরাবরের মতোই জ্বালানি খাতে অব্যাহত ছিল লেনদেনের প্রবণতা। শীর্ষে থাকা এ খাতে সোমবার লেনদেন হয়েছে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ২৬ শতাংশ।
 
তথ্যে দেখা গেছে, সোমবার ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৭৫ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৫৪২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ২৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৪৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫৮৬ কোটি ৫ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৬২ কোটি ২৭ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ৩১৮টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৫টির, কমেছে ২৩২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৫৮ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৯৭৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৮৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ৭ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৪৩টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩২টির কমেছে ১৮৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২২টি কোম্পানির শেয়ারের।