স্থল সীমান্তের পাশাপাশি তিস্তা নিয়ে জট কাটানোর লক্ষ্যে তত্পর ভারত। এ জন্য দেশটির পশ্চিমবঙ্গ ও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি ঘরোয়া কমিটি গঠন করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের আগেই বিষয়টি মীমাংসা করে ফেলা।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ক্ষেত্রে একটা কথা প্রায় প্রচলিত হয়ে উঠেছে যে, তিনি শুধু স্বপ্ন দেখান না; সেটার বাস্তবায়ন ঘটান। দুই দিনের সফরে ১৬ কোটি বাংলাদেশিকে অনেক স্বপ্ন দেখিয়েছেন তিনি। আর তাই স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটাতে গতকাল দিল্লি ফেরার পথে বিশেষ বিমানের মধ্যেই বসে গেলেন বৈঠকে। নির্দেশ দিলেন, বাংলাদেশ সফর শেষ হয়ে গিয়েছে মানেই কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে এমন নয়। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে যে ১০ টি চুক্তি হয়েছে, তার কাজ আজ থেকেই শুরু করে দিতে হবে।
বৈঠকে ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, প্রধানমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নৃপেন্দ্র মিশ্র। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ছিটমহল বিনিময়ের কাজ জুলাইয়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে। ৩১ জুলাই ‘অ্যাপয়েন্টমেন্ট ডে’ হিসেবে ধরে কাজ শুরু করা হচ্ছে।
খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।
