মহাকাশযানকে মঙ্গলপৃষ্ঠে ধীরগতিতে নামতে সাহায্য করবে এমন নতুন ধরনের সুপারসনিক প্যারাস্যুট এবং বায়ুভর্তি কেভলার রিং পরীক্ষা করে দেখেছে নাসা। বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখতে উড়ন্ত চাকতি-আকৃতির একটি যান বেলুনের সাহায্যে বায়ুমণ্ডলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে সব যন্ত্র ঠিকমতো কাজ করলেও গোলমাল বাধে প্যারাস্যুট নিয়ে। পরীক্ষাধীন সময়ে প্যারাস্যুট সম্পূর্ণভাবে খোলেনি বলেই জানিয়েছে বিবিসি। নাসার দাবি, তারা এ পরীক্ষা থেকে যে তথ্য পেয়েছেন তা তাদের সামনের দশকেই মঙ্গলে আরও ভারী জিনিস পাঠাতে সাহায্য করবে। বর্তমানে মঙ্গলে দেড় টন ওজনের জিনিস পাঠানো সম্ভব হয়। তবে ভবিষ্যতে গ্রহটিতে মানুষ পাঠাতে হলে ১০ টনেরও বেশি ওজন পাঠানোর মতো প্রযুক্তির প্রয়োজন পড়বে। নাসার এই পরীক্ষাযানের নাম দেয়া হয়েছিল ‘লো ডেনসিটি সুপারসনিক ডিসেলারেটর’ (এলডিএসডি)। গত বছরও একবার এধরনের পরীক্ষা চালানো হলেও সফল হয়নি নাসা। নাসা এক টুইটার বার্তায় জানিয়েছে, তারা এখন ডাটা রেকর্ডার থেকে তথ্য সংগ্রহ করে সমস্যার কারণগুলো খুঁজে বের করবে। - ছবি ১৭ পৃষ্ঠায়।
লাল গ্রহ নামে পরিচিত মঙ্গলে ভবিষ্যতে মানুষসহ ভারী যানবাহন নিয়ে যাওয়ার জন্য মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা যে পরীক্ষা চালিয়েছিল তা ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি। তবে এনবিসি জানিয়েছে, এই পরীক্ষা আংশিক সফল হয়েছে। সোমবার হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের কাওয়াই দ্বীপে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি প্যাসিফিক রেঞ্জ ফ্যাসিলিটি থেকে এই পরীক্ষা চালানো হয়। খবর বিবিসি ও এনবিসি’র।
