নিজস্ব সক্ষমতা দিয়েই ডেল্টা প্লান বাস্তবায়ন হবে :পরিকল্পনামন্ত্রী

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০১৯, ২১:৪৫

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আমাদের অর্থনীতির আকার বাড়ছে। প্রতি বছর, প্রতি দশকে আমাদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে। প্রতিবছর রাজস্ব বাড়বে। আমাদের বাড়তি সক্ষমতা দিয়েই পর্যায়ক্রমে শতবর্ষের ডেল্টা প্লান বাস্তবায়ন করতে পারব। গতকাল রবিবার রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্সে ‘প্রকৌশলী এম এ জব্বার মেমোরিয়াল লেকচার’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বা ডেল্টা প্লানে দেশকে ছয়টি হটস্পট-এ বিভক্ত করা হয়েছে। এর একটি উপকূলীয় অঞ্চল। এই অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন ও ডেল্টা প্লান বাস্তবায়নে বেশকিছু সমস্যা ও করণীয় তুলে ধরে তিনি বলেন, বছরে প্রায় ১ মিলিয়ন টন পলি উপকূলভাগের নদ-নদীর মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত হওয়ার ফলে ৫ থেকে ১০ বর্গ কিলোমিটার নতুন চরের সৃষ্টি হয়। আবার নদী ভাঙনের কারণে বিপুল পরিমাণ জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্র সমতলের উচ্চতা বাড়ছে। উপকূলীয় প্লাবন ও লবণাক্ততার অনুপ্রবেশের ঝুঁকিও বাড়ছে। তিনি জানান, ঝড়বৃষ্টি ও জলোচ্ছ্বাস এবং লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ মোকাবিলায় আঞ্চলিক নদী এবং চ্যানেলগুলো পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। শুষ্ক মৌসুমে নদী প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ড্রেজিং ব্যবস্থা করতে হবে। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে এবং বন্যার ঝুঁকি কমাতে গ্রামীণ নদী ও খাল পুনরুদ্ধার করা, অভ্যন্তরীণ নদী ও খালগুলোর নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। উপকূলীয় অঞ্চলে জেগে ওঠা নতুন জমি সংরক্ষণ, উন্নয়ন করা এবং ল্যান্ডিং জোন করতে হবে। সুন্দরবন সংরক্ষণে বিভিন্ন চ্যানেলে নিয়মিত ড্রেজিং অব্যাহত রাখা এবং নতুন জেগে ওঠা জমিতে ম্যানগ্রোভ প্রজাতির বনায়ন ত্বরান্বিত করতে হবে।

এরপর পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সরকার প্রধানের কাছে প্রকল্প পেশ করার দায়িত্বে এই মুহূর্তে আমি আছি। জনকল্যাণমূলক, পেশার কল্যাণমূলক, রাষ্ট্র কল্যাণমূলক সব ধরনের প্রকল্পে শেখ হাসিনা ও তার সঙ্গে আমরা যারা কাজ করছি, তারা আপনাদের আশ্বস্ত করছি, আমরা আপনাদের সঙ্গে থাকব।