রমজানকে সামনে রেখে রাজশাহীতে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা

আপডেট : ১৩ জুন ২০১৫, ০১:২০

পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে রাজশাহীতে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে। নগরীর সাহেব বাজার ও নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ীদের সাথে গতকাল শুক্রবার কথা বলে এ তথ্য জানা যায়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাজার মনিটরিং জোরদার করা উচিত বলে কনজিউমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) রাজশাহী শাখার সভাপতি কাজী গিয়াস জানান।

 
সাহেব বাজারের মুদি ব্যবসায়ী কাজল জানান, বর্তমানে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন ৮২ টাকা, সুপারপাম ৭০ টাকা, প্রতি কেজি মসুর ডাল ১০৮/১১৮ টাকা, বুটের ডাল ৬৮-৮০ টাকা,  খোলা আটা ২৪ টাকা, ছোলা ৬০-৬৫ টাকা, গুঁড়ামরিচ ১৮০/২২০ টাকা ও গুঁড়া হলুদ ১৮০ টাকা। বর্তমানে বাজার স্থিতিশীল হলেও রমজান এলে কিছুটা বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে বলে তিনি জানান। কাঁচা পণ্যের ব্যবসায়ী আব্দুস সেলিম জানান, প্রতি কেজি শশা ১৫ টাকা, পটল ১৫ টাকা, চিচিঙ্গা ১৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪০ টাকা, ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ২৬ টাকা, দেশি রসুন ৬৫-৮০ টাকা, আদা ১০০/১২০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৩০-৩৫ টাকা, শুকনা মরিচ ১৭০/১৮০ টাকা, ঢেঁড়স ১২/১৫ টাকা ও আলু ৪৮ টাকা, লেবু ২০ টাকা।
 
মাছ ব্যবসায়ী কামাল হোসেন বলেন, বাজারে প্রতি কেজি ইলিশ ৬৫০/৭৫০ টাকা, রুপচাঁদা ৮শ’/১ হাজার টাকা, দেশি চিংড়ি ৮০/১০০ ?টাকা পোয়া, গলদা চিংড়ি ২০০ টাকা পোয়া, রুই মাছ প্রতি কেজি ২২০/৩৫০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০ টাকা, টেংরা ৫০০ টাকা ও কৈ মাছ ২২০/২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজানে মাছের দাম বাড়বে বলে তিনি জানান। মুরগি ব্যবসায়ী আব্দুর রশীদ জানান, বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৭০ টাকা, দেশি মুরগি ৩০০/৩২০ টাকা, সোনালি ২৩০ টাকা ও কক ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজান মাসে মুরগির দাম আরও বাড়তে পারে বলে তিনি জানিয়েছেন ।
 

এছাড়া বাজারে চিনি প্রতি কেজি ৪০ টাকা, চাল মিনিকেট ৪৬ টাকা, পোলাও চাল ৬৫-৭৫ টাকা, দেশি গম ২৫ টাকা, বিদেশি ৩০ টাকা, বেশন-ছোলা ১০০ টাকা, এ্যাঙ্কর ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজান মাসে এসব পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও দাম বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।