কলেজ শিক্ষককে লাঞ্ছিতের ঘটনায় হাইকোর্টে শুনানি

আপডেট : ১৫ জুন ২০১৫, ২১:২২
 
ভান্ডারিয়া কলেজ শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনির হোসেন হাওলাদারের ভূমিকা কি ছিল তার ব্যাখ্যা চেয়েছে হাইকোর্ট। এ ঘটনায় চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দেয়া এক প্রতিবেদনে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি উঠে আসায় এ ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে আগামী ১ জুলাই এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানি ও আদেশের জন্য দিন ধার্য রেখেছে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের ডিভিশন বেঞ্চ।
 
এদিকে সোমবার আদালতের নির্দেশ হাইকোর্টে হাজির হন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলাম ও শিক্ষক মোনতাজ উদ্দিন। পরে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম শুনানি করেন। তাকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট এএম আমিনউদ্দিন। অন্যদিকে শিক্ষকের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ও ব্যারিস্টার সাইমুম সাদী। শুনানি শেষে হাইকোর্ট ওই ঘটনায় ইউএনও’র ভূমিকার ব্যাখ্যা চান। এছাড়া দুটি পত্রিকায় প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন ও ছবির যথার্থতা নিশ্চিত করতে বলে আদালত।
 
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস সাংবাদিকদের বলেন, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের তদন্ত প্রতিবেদনের একাধিক জায়গায় এ ঘটনায় ইউএনও’র ইন্ধনের কথা উঠে এসেছে। এজন্য হাইকোর্ট ইউএনও’র ভূমিকা কি ছিল তার ব্যাখ্যা চেয়েছে।
 
‘সহকারী অধ্যাপককে পা ধরে মাফ চাইতে বাধ্য করলেন ম্যাজিস্ট্রেট’ শীর্ষক শিরোনামে একটি প্রতিবেদন দেশের বিভিন্ন জাতীয় জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এরপরই এ ঘটনায় ওই ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন শিক্ষক মোনতাজউদ্দিন।