কাওরান বাজার সংলগ্ন রেললাইন বস্তিতে উচ্ছেদ অভিযানের মধ্যেই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। গতকাল রবিবার বেলা ১১টা থেকে বস্তিতে মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে উচ্ছেদ অভিযানে নামে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ। পৌনে ১টার দিকে সেখানে রহস্যজনকভাবে আগুন লাগে। এতে প্রায় একশ খুপড়ি ঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। আগুনের ঘটনায় পুলিশকে দায়ী করছে বস্তিবাসী। তারা বলছেন, ঘর ভেঙে দেওয়ার পর সাদা পোশাকে পুলিশ আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বস্তিতে। তবে পুলিশের দাবি— মাদক বিরোধী অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে মাদক কারবারিরাই এই অগ্নিকাণ্ড ঘটিয়েছে। তবে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রশিদ বলেন, কাওরান বাজার রেললাইন বস্তিতে মাদক কারবারিদের আশ্রয় বহুদিন থেকে। বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে অনেককে গ্রেফতারও করা হয়েছে। জামিনে বেরিয়ে তারা আবার একই পেশায় জড়িয়ে পড়ে। তাদের ঘর চিহ্নিত করে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। রেললাইনের পূর্বপাশের বস্তিতে বেলা ১১টায় উচ্ছেদ শুরু হয়। এক নম্বর রেলগেটের দিক থেকে উচ্ছেদ করতে করতে দক্ষিণে দুইশ গজ গেলে পেছনের ভাঙা ঘরগুলোতে পৌনে ১টার দিকে আগুন দেখা যায়। মাদক বিরোধী অভিযানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে তারা আগুন লাগিয়েছে। উল্টো পুলিশের দিকেই আঙুল তুলছে তারা।
ফয়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার নাজমা আক্তার জানান, বস্তিতে আগুন লাগার খবর পেয়ে তাদের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। আধাঘণ্টার মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। বিড়ি সিগারেটের উচ্ছিষ্ট অংশ থেকে আগুনের সূত্রপাত বলেই ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।
গতকাল দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, পোড়া ঘরের ছাইয়ের মধ্যে বাসিন্দাদের কেউ কেউ তাদের আসবাবপত্র খোঁজার চেষ্টা করছেন। তাদের অভিযোগ, পুলিশ ঘরগুলো ভেঙে দেওয়ার পর আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। বস্তির বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ঘর ভেঙে দেওয়ার পর পুলিশ গোপনে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।
