ভারত-শাসিত কাশ্মিরের অধিকাংশ স্থনে শুক্রবার কারফিউ জারি করা হয়েছে। খবর বাসসের।
গোলযোগপূর্ণ এ রাজ্যে সাম্প্রতিক কিছু হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে পরিকল্পিত একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি ঠেকাতে শীর্ষ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের আটক করা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা ও বাসিন্দারা জানান, প্রধান নগরী শ্রীনগরের স্কুল ও দোকান-পাট বন্ধ রাখা হয়েছে। রাস্তায় কয়েক শ পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছে। এছাড়া কাশ্মির উপত্যকার অন্যান্য স্থানেও একই ধরনের বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
একজন শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এএফপিকে বলেন, ‘কাউকে কোথাও কোনো প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নিতে দেয়া হবে না।’
শ্রীনগরের বাসিন্দা শাকিল আহমেদ তার বাড়ি থেকে টেলিফোনে বলেন, ‘এখানে সবখানেই পুলিশ ও সিআরপিএফ (কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স)। কাউকে রাস্তায় বের হতে দেয়া হচ্ছে না। বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতারা শ্রীনগরের বাসিন্দাদের শুক্রবার দক্ষিণাঞ্চলীয় সোপুর অভিমুখে যাত্রা করার আহ্বান জানিয়েছেন। এখানে গত ৯ জুন থেকে ৪ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা নিহত হয়েছেন।
সোপুরে একটি হাসপাতালের কাছে নিজ বাড়ি থেকে শাহ মোহাম্মদ নামে এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমি বাইরে একটা লোককেও চলাফেরা করতে দেখিনি।’
বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোর বিবৃতিতে বলা হয়, পরিকল্পিত সোপুর যাত্রা কর্মসূচির প্রাক্কালে পুলিশ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতৃবৃন্দ ও বেশ কিছু কর্মীকে গ্রেফতার করে।
পুলিশের দাবি পাকিস্তানপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদী গ্রুপ হিজবুল মুজাহিদীনের একটি দলছুট অংশ অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তবে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলো এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
তাদের দাবি সরকারি বাহিনী গুলি করে কয়েকদিনের মধ্যে দুই সাবেক বিদ্রোহী ও অপর দুই বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মীকে হত্যা করেছে।
