চৌদ্দগ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এক সময়ের খরস্রোতা কাঁকড়ি নদীর পাড় এখন প্রভাবশালীদের দখলে। নদীরপাড় দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে দোকান-পাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা। উপজেলার মিয়াবাজার এলাকায় নদীপাড়ের কিনারা ভরাট করে এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।
সরেজমিন জানা যায়, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়াবাজার এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর নির্মিত কাঁকড়ি সেতু। সেতুর পাশ ঘেঁষে পশ্চিম দিকে নদীরপাড় দিয়ে চলাচলের রাস্তা রয়েছে। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় স্থানীয় প্রভাবশালীরা দীর্ঘদিন ধরে নদীরপাড় দখল ও আরসিসি পিলার দিয়ে নদীর অংশ ভরাট করে টিনের ছাউনি দিয়ে নির্মাণ করেছে । নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এলাকার লোকজন জানান, কেউ কেউ এসব দোকানপাট মোটা অংকের টাকা সেলামী নিয়ে মাসিক হিসেবে ভাড়া আদায় করছে। অবৈধভাবে নদী দখল ও ভরাট করে এসব স্থাপনা নির্মাণের কারণে সরু হয়ে গেছে কাঁকড়ি নদী। এতে ঐতিহ্যবাহী কাঁকড়ি নদী দিনে-দিনে মরা খালে পরিণত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে পদক্ষেপ না নিলে নদীর বিস্তীর্ণ দুইপাড় ক্রমে অবৈধ দখলদারদের কবলে পড়ে অস্তিত্ব হারাবে এবং এ নদী নির্ভর কৃষি ও সেচ কাজ বাধাগ্রস্ত হয়ে বিশাল জনগোষ্ঠী প্রাকৃতিক বিপর্যয়সহ ক্ষতির সম্মুখীন হবে ।
এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী (ভূমি) কমিশনার জাহেদুল ইসলামের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, নদীরপাড়ে যদি কোন অবৈধ দখলদার থাকে তাহলে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে আমরা দখলদারকে উচ্ছেদ করবো।
