সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালীন বেশ কয়েকটি মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নয় রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১১ জনকে আটক করে। গতকাল রবিবার উপজেলার ধানগড়া সদর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ-স্থানীয়রা জানান, ধানগড়া সদর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট ইমন তালুকদারের নির্বাচনী জনসভা চলছিল। একই সময়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম হোসেন শোভন সরকারের একটি প্রচার মিছিল স্কুলের সামনে যাবার সময় আওয়ামী লীগের সমাবেশে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে দুগ্রুপ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় ইটপাটকেলের আঘাতে ধামাইনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন ও মিলনসহ অন্তত ১৫ জন আওয়ামী লীগ কর্মী আহত হয়। সংঘর্ষে বেশ কয়েকটি মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পঞ্চনন্দ সরকার জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৯ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম হাসান সুমন সরকারসহ ১১ জনকে আটক করা হয়েছে।
