ইউরোপে আশ্রয় প্রত্যাশী অভিবাসী এবং গ্রিসের বর্তমান সরকারের অবস্থানের পক্ষে বার্লিন, রোম ও প্যারিসের রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছে।
বার্লিনে বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে প্রায় ৩ হাজার ৭শ লোক রাস্তায় নামে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে আয়োজকদের দাবি অন্তত ১০ হাজার লোক বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে। ক্রেয়ুজবার্গ এলাকা থেকে ব্রান্ডেনবার্গ গেট পর্যন্ত বিক্ষোভকালে তারা শরণার্থীদের বহিষ্কারের বিরুদ্ধে শ্লোগান দেয় এবং ইউরোপে তাদের স্বাগত জানায়। তারা ঋণ সংকটে পর্যুদস্ত গ্রিসে ব্যয়সংকোচনের জন্য পশ্চিমাদের চাপের বিরুদ্ধেও স্লোগান দেন।
পুলিশ বলছে প্যারিসের রাস্তাতেও প্রায় সাড়ে তিন হাজার লোক বিক্ষোভ করেন।এদের মধ্যে বেশ কিছু অভিবাসীও ছিলেন।
রোমেও বৃষ্টি উপেক্ষা করে শরণার্থীদের প্রতি একাত্মতা প্রকাশে শত শত বিক্ষোভকারী রাস্তায় নামেন। বিক্ষোভে অংশ নেয়া ৬৬ বছর বয়সী লুসিয়োনো কলেটা বলেন, আজ আমরা এখানে এসেছি ইউরোপকে রক্ষা করতে, অভিবাসী, শরণার্থী ও গ্রীস নিয়ে কথা বলতে।
উল্লেখ্য, চলতি বছর আশ্রয়ের আশায় প্রায় এক লাখ শরণার্থী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়েছে। তাদের অধিকাংশই ইতালি, গ্রিস ও মাল্টায় পৌঁছায়। এর মধ্যে অন্তত ১৮শ লোক সাগরে ডুবে প্রাণ হারায়।
শুক্রবার ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো ভূমধ্যসাগরে মানবপাচার কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রথম পর্যায়ে সামরিক অভিযান চালানোর জন্যে পরিকল্পনা অনুমোদন করে।
মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ শুক্রবার বলেছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউরোপে যেসব শরণার্থী এসে পৌঁছেছে তারা এসেছে আফগানিস্তান, ইরিত্রিয়া, সোমালিয়া ও সিরিয়া থেকে। যুদ্ধ কিংবা নিপীড়নের কারণে এসব দেশ ছেড়ে শরণার্থীরা অজানার উদ্দেশে পাড়ি জমাচ্ছে। সূত্র: এএফপি
