অভিযোগ তদন্তে চাই সুনির্দিষ্ট ও দালিলিক তথ্য —দুদুক চেয়ারম্যান

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০১৯, ০০:৩২

দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, অভিযোগ তদন্তে ঢালাওভাবে তথ্য উপাত্ত চাওয়া কিংবা ঢালাওভাবে অভিযুক্ত করার কোনো সুযোগ নেই। সবকিছু হতে হবে সুনির্দিষ্ট, দালিলিক তথ্যভিত্তিক। গতকাল রবিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে কমিশনের কর্মকর্তাদের ভূমি ব্যবস্থাপনা শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দুদক চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, যে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা মানে তার সামাজিক স্বাধীনতা হরণ করা। তাই মামলা দায়েরের পূর্বে অভিযোগের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাইয়ের জন্য ঘটনাস্থল পরিদর্শ, রিপোর্টে স্কেচ ম্যাপ সংযোজন, দালিলিক প্রমাণাদি এবং সাক্ষ্য সংগ্রহ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য বলেন, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধান বা তদন্ত করছেন ধরে নিতে হবে তিনি নির্দোষ, তবে অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলেই তাকে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বলে মনে করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, ভূমি ব্যবস্থাপনায় খাস জমি ব্যবস্থাপনা, রেলওয়ে বিভাগের সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের অধিগ্রহণকৃত সম্পদ ব্যবস্থাপনা, সম্পত্তি অধিগ্রহণ এবং অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে নানাবিধ দুর্নীতির অভিযোগ কমিশনে আসে। এসব অভিযোগ তদন্তে ঢালাওভাবে তথ্য উপাত্ত চাওয়া কিংবা ঢালাওভাবে অভিযুক্ত করার কোনো সুযোগ নেই।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দুদকের মহাপরচািলক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী। কমিশনের বিভিন্ন পদমর্যাদার ত্রিশ কর্মকর্তা এ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন।