জেলার বিরামপুর উপজেলায় চোরাকারবারীদের সাথে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তিনজন। এছাড়াও এ সংঘর্ষের ঘটনায় বিজিবি’র সদস্যসহ প্রায় ১৫ জন আহত হয়েছেন।
এ ঘটনার প্রতিবাদে দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছে এলাকাবাসী।
জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে উপজেলা রেলওয়ে স্টেশনে রূপসা আন্তঃনগর ট্রেনে অভিযান চালিয়ে বিজিবি ভারতীয় কাপড় আটক করে। এ সময় বিজিবি’র সদস্যরা চোরাকারবারীদের ধাওয়া করে ভারতীয় কাপড়গুলো জব্দ করে। পরে চোরাকারবারীরা একত্রিত হয়ে বিজিবি সদস্যদের উপর হামলা করে ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় বিজিবি’র এক সদস্যকে ধরে নিয়ে যায় চোরাকারবারীরা। এতে আত্মরক্ষার্থে বিজিবি’র সদস্যরা চোরাচালানীদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে। এতে বিরামপুর উপজেলার পূর্ব জগন্নাথপুর গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে শাহীন (২২) ও একই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে সুলতান (২৫) গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী উপজেলার কলাবাগান নামক এলাকায় দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে। এ খবর লেখা পর্যন্ত মহাসড়কে অবরোধ কর্মসূচি চলছিল।
বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুজ্জামান জানান, নিহতদের লাশ বিরামপুর হাসপাতালে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
দিনাজপুর-২৯ বিজিবি’র অধিনায়ক লে. কর্নেল কুরবান আলী জানান, চোরাচালানীর কাপড় জব্দ করার সময় বিজিবি’র উপর হামলা করে চোরাচালানীরা। এ সময় আত্মরক্ষার্থে বিজিবি’র সদস্যরা গুলি করে।
