কোম্পানি-সিকিউরিটিজের অডিটরস প্যানেল অনুমোদন

আপডেট : ০১ জুলাই ২০১৫, ১৭:০৯
 
 
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের হিসাব প্রতিবেদন নিরীক্ষার জন্য অনুমোদিত নিরীক্ষকদের একটি প্যানেল চূড়ান্ত করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
 
বিএসইসি জানিয়েছে—আগামী ১ আগস্ট থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। খুব শিগগির অডিটরস প্যানেল বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
 
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন—বিএসইসির এ ধরনের উদ্যোগ বাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদনে ভুল তথ্য দেয়ার প্রবণতা কমাবে। এতে বিনিয়োগকারীরা উপকৃত হবেন।
 
জানা গেছে—এখন পর্যন্ত ৩৫টি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (সিএ) ফার্মকে নিয়ে অডিটরস প্যানেল গঠন করেছে বিএসইসি। প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন জোরদার করতে অনুমোদিত এ প্রতিষ্ঠানগুলোর বাইরে অন্য কোনো ফার্মের নিরীক্ষা প্রতিবেদন গ্রহণ করবে না শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। মূলত তালিকাভুক্ত কোম্পানি ও অন্যান্য সিকিউরিটিজের নিরীক্ষিত প্রতিবেদনের মান ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতেই এ ব্যবস্থা।
 
প্রয়োজনে সময়ে সময়ে এ তালিকায় সংযোজন-বিয়োজন ঘটবে। অনুমোদিত কোনো নিরীক্ষক অনিয়ম করলে তাদের এক থেকে পাঁচ বছরের জন্য কালো তালিকাভুক্ত করারও সুযোগ থাকছে অডিটরস প্যানেল বিধিতে। গুরুতর অনিয়মের দায়ে কোনো ফার্মের লাইসেন্স বাতিলের জন্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস বাংলাদেশকে (আইসিএবি) চিঠি দেবে কমিশন। এর বাইরে নিরীক্ষা প্রতিবেদনের যথাযথতা পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষার জন্য দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জকেও আরো শক্তিশালী করার চিন্তা আছে কমিশনের।
 

কমিশন সূত্র জানিয়েছে—বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সিএ ফার্মগুলোর কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করে বিএসইসি। ৫৬টি ফার্ম নিরীক্ষক প্যানেলে অংশ নেয়ার আবেদন করে। অভিজ্ঞতা, সুনাম এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে এর মধ্য থেকে মোট ৩৫টি ফার্মকে বাছাই করা হয়েছে।