শালিখায় পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর ‘আত্মহত্যা’

আপডেট : ০২ জুলাই ২০১৫, ১৪:০৩
 
যৌতুকের দাবিতে পুলিশ স্বামীর কাছ থেকে তালাকের হুমকি পেয়ে শান্তা খাতুন (১৯) নামে এক গৃহবধূ ‘আত্মহত্যা’ করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে মাগুরার শালিখা উপজেলার নাঘোষা গ্রামে।
 
শান্তার পরিবারের অভিযোগ, স্বামী পুলিশ সদস্য মারুফ হোসেন নিয়মিত যৌতুকের দাবিতে তাকে নানা রকম নির্যাতন করতেন। সবশেষ বুধবার মোটরসাইকেলের দাবি করে তিনি ফোনে শান্তাকে তালাকের হুমকি দেন। এতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ওই গৃহবধূ বাবার বাড়িতে গলা ওড়না পেচিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেন।
 
আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে জামাই মারুফ হোসেনকে আসামি করে নিহত শান্তার চাচা লাইচুর রহমান বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সকালে শালিখা থানায় মামলা করেছেন।
 
শান্তার মামা মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, ১ বছর আগে মাগুরা সদর উপজেলার বেলনগর গ্রামের মৃত বাবু শেখের ছেলে মারুফ হোসেনের সাথে শান্তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে মারুফ ও তার পরিবারের সদস্যরা যৌতুকের জন্য শান্তা ও তার পরিবারের সদস্যদের উপর চাপ দিতে থাকে। শান্তার বাবা দিনমজুর শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় জামাইকে বিভিন্ন প্রকার উপহার সামগ্রী ও নগদ টাকা দিয়ে আসছিলের। সম্প্রতি শান্তা বাবার বাড়ি এলে জামাই ফোনে তার কাছে ফার্নিচার ও পালসার মোটর সাইকেল দাবি করে। শহিদুল ইসলাম ধারদেনা করে কিছু ফার্নিচার তৈরী করে জামাইকে দেয়ার কথা জানায়। কিন্তু বুধবার বিকেলে মারুফ ফোনে যৌতুক না পেলে তালাক দেয়ার হুমকি দেয় শান্তাকে।
 
শালিখা থানার ওসি আবু জিহাদ খান জানান, অভিযুক্ত মারুফ কুষ্টিয়ায় পুলিশের সিপাহী পদে কর্মরত রয়েছে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।