প্রবাসের নতুন প্রজন্মদেরকে স্বদেশ প্রেমের পাশাপাশি মূলধারার সাথে সম্পৃক্ত হতে হবে। আর এ জন্য পিতামাতা এবং অভিভাবকদের ভূমিকা নিতে হবে।
কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার কামরুল আহাসান রবিবার সন্ধ্যায় টরন্টোস্থ ড্যানফোর্থের কাফে ডি তাজে সাংবাদিকদের সাথে ইফতার পার্টিতে এ কথা বলেন। এ সময় আগামীতে কানাডাস্থ প্রতিভাবকদের নিয়ে একটি গুরুত্ত্বপূর্ণ সেমিনার করার কথা বলেন তিনি।
জনাব আহসান যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে তিন বাংলাদেশি কন্যার লন্ডন বিজয়ের কথা উল্লেখ করে বলেন, অদূর ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশেও এর ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। এছাড়াও তিনি দূতাবাসের নানান কার্যক্রম, বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি অভিবাসীদের সম্প্রসারণ, অভিবাসী শিক্ষার্থী, রোহিঙ্গা সমস্যা, প্রবাসীদের দ্বৈত নাগরিকত্ব প্রভৃতি নিয়ে মত বিনিময় করেন।
এ সময় স্থানীয় পত্রপত্রিকার সংবাদিক ও সম্পাদকবৃন্দ এবং দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি দেওয়ান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। পরে হাই কমিশনার বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ২০১৪ সালে আইএফআইসি ব্যাংক সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্ত ‘মুক্তিযুদ্ধে মেজর হায়দার ও তার বিয়োগান্ত বিদায়’ গ্রন্থের লেখক, গুরুতর অসুস্থ ড. জহিরুল ইসলামকে দেখতে যান।
