শুক্রবারই শুরু আফ্রিকানদের মিশন

আপডেট : ০২ জুলাই ২০১৫, ২১:৪৮
 
 
ম্যাচের আগের দিন দু দলের প্রতিনিধি সংবাদ সম্মেলনে আসবেন; এটা নতুন কিছু নয়। কিন্তু শুক্রবার ফতুল্লায় যে ম্যাচ, সেটাকে সামনে রেখে দক্ষিণ আফ্রিকার কেউ আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে ফেলবেন্তএটা খুব স্বাভাবিক ছিলো না। কারণ, ম্যাচটা যে নিতান্ত অনুশীলন ম্যাচ।
 
আর এখানেই দক্ষিণ আফ্রিকা দল এই সফরটাকে কতোটা গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে, তা বুঝিয়ে দিলো।
 
সংবাদ সম্মেলনে শুধু প্রতিনিধি হিসেবে জেপি ডুমিনি এলেন না; তিনি এসে পরিষ্কার বলে গেলেন, আজ থেকেই তাদের মিশন শুরু হয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন। কারণ, প্রস্তুতিমূলক এই ম্যাচটাকেও তারা একটা পরীক্ষা মনে করছেন।
 
এমন মনে করার কারণও ব্যাখ্যা করে বললেন দক্ষিণ আফ্রিকার এই তারকা অলরাউন্ডার। তার মতে বাংলাদেশ সফরটা এতোটাই কঠিন হতে যাচ্ছে যে, এ জন্য তারা রবিবারের প্রথম অফিশিয়াল ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাচ্ছেন না, বাংলাদেশ অনেকটাই বদলে গেছে। গত কিছুদিন ধরে বাংলাদেশ দারুণ ক্রিকেট খেলছে। আমরা তাদের হালকা ভাবে নিচ্ছি না। এটা অবশ্যই কঠিন একটা সিরিজ হতে যাচ্ছে। আমাদের জন্য সিরিজ শুরু হয়ে যাচ্ছে। আমরা রবিবার পর্যন্ত অপেক্ষা করবো না। আমরা জানি, আগামীকালকের ম্যাচটা কতোটা গুরুত্বপূর্ন। আমরা এই কন্ডিশনের সামলে নিজেদের সেরাটা করে করে আনতে চাই। তাহলেই কেবল রবিবারের ম্যাচে আমরা প্রস্তুত হয়ে মাঠে নামবে পারবো।
এই অনুশীলন ম্যাচ থেকে আফ্রিকান দলটি কী পেতে চায়, সেটাও পরিষ্কার করে বললেন দুমিনি। প্রথমত তো তারা এই কন্ডিশনটা পরখ করে দেখতে চান। তার চেয়ে বড় কথা, খেলোয়াড়দের মাঠে ফেরার পর জড়তাটা এই ম্যাচ দিয়ে ভেঙে যাবে বলে আশা করেন। আর সবচেয়ে বড় কথা বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জ জানানোর জন্য যথার্থ প্রস্তুতিটা সম্পন্ন করতে চান আজই, অনুশীলন ম্যাচে সাধারণত সবাই কন্ডিশনটা বুঝতে চায়। আমাদের জন্য এটা আরও জরুরী, কারণ গত মাস খানেক ধরে আমাদের বেশীরভাগ খেলোয়াড়ই খেলোয়ার বাইরে ছিলো ফলে এই কন্ডিশনে বলের গতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটা এবং খেলায় ফেরা আমাদের জন্য জরুরী। এখানে সম্ভবত বল টার্ন করবে। সে ক্ষেত্রে আমার গেম প্লানটা ঠিক করা জরুরী। এখন আমরা নিজেদের মধ্যে আলাপ করছি, নিজেদের জানাশোনাটা ভাগাভাগি করে নিচ্ছি। এই কন্ডিশনে আমরা অনেকেই কয়েক বছর ধরে খেলছি। ফলে এখন বিভিন্ন বোলারের বিপক্ষে এখানে কী করতে হবে, সেটা ঠিক করতে হবে।