কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের হাতে ইয়াকুব আলী (৫৫) নামের এক আওয়ামী লীগ নেতা খুন হয়েছেন। শনিবার বিকালে গাজীপুরের টঙ্গীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়। ইয়াকুব আলী মনোহরগঞ্জ উপজেলার কেয়ারী গ্রাম আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সন্ধ্যায় ইয়াকুব আলীর ছোট ভাই আবু ইউসুফ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, গত সোমবার বিকালে মনোহরগঞ্জ উপজেলার বাইশগাঁও ইউনিয়নের কেয়ারী গ্রামে শসা কেনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ছাত্রলীগ কর্মী হারুনুর রশিদ বাবুর সঙ্গে একই গ্রামের সেলিম মিয়ার পুত্র ওসমান গণির বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জের ধরে ওইদিন সন্ধ্যায় বাবুর পক্ষ নিয়ে কেয়ারী এলাকার ছাত্রলীগ নেতা ওমর ফারুকের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের ১০/১২ জন নেতা-কর্মী হামলা চালিয়ে ওসমানের পিতা সেলিম মিয়ার ঘর, তার ভাই ইয়াকুব আলী ও চাচাতো ভাই সিরাজ মাস্টারের ঘর ভাঙচুর করে। এ সময় তাদের বাধা দিলে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতা ইয়াকুব আলী ও তার চাচা ফজলুর রহমানকে কুপিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয়রা আশংকাজনক অবস্থায় আহতদের প্রথমে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও পরে টঙ্গীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করায়। শনিবার বিকালে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
উপজেলার বাইশগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ইয়াকুব আলী কেয়ারী গ্রাম আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, এ ঘটনায় এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
