নিজের স্ত্রী ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদকে ইঙ্গিত করে জাতীয় পার্টি (জাপা) চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ বলেছেন, ‘আমি কোনো ভুল করে থাকলে সেটি কেবলমাত্র আমি নিজে প্রত্যাহার করতে পারি কিংবা স্পিকার সেটি এক্সপাঞ্জ করতে পারেন। কিন্তু আমার বক্তব্যের জন্য অন্য কারও ক্ষমা চাওয়ার অধিকার নেই। এই সংসদে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ে একটি কথা বলেছিলাম। পরে আমি শব্দটি (শোপিস) প্রত্যাহার করি। এরপরে একজন (রওশন) আমার বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। এটা তার এখতিয়ার বহির্ভূত। এটি তিনি পারেন না।’
স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনি বিদূষী নারী, আপনি স্পিকার হয়েছেন, সিপিএ সভাপতি হয়েছেন। বাংলাদেশের জন্য গৌরব অর্জন করেছেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নারী-পুরুষের বিভাজনের মধ্যে পড়েন না। বড় কথা তিনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা। নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকার ও সমাজের দায়িত্ব। এই সংসদেই ৫০টি সংরক্ষিত আসনে নারী সদস্য রয়েছেন, তারা কি আমাদের সমান সুযোগ পান? পান না। আমরা যে বরাদ্দ পাই, তারা তা পান না। বিভাজন এখানেই। বিভাজন দূর করতে হলে এখান থেকেই শুরু করতে হবে।’ এরশাদের এই বক্তব্যের সময়ও প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকারসহ অনেকে হাসেন। যদিও কয়েকজন নারী সদস্য টেবিল চাপড়াতে থাকেন।
