ঘুষের টাকা ফেরত নিতে চান না প্রদানকারীরা, বিপাকে তদন্ত কমিটি

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০১৫, ০১:৫৮

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশে (বিএমপি) পদোন্নতির জন্য ঘুষের তহবিলের ফেরত দেয়া ৫০ লাখ টাকার চেক নিয়ে বিপাকে পড়েছেন অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি। সাসপেন্ড হয়ে সিলেট রেঞ্জে সংযুক্ত হওয়া উপ-পুলিশ কমিশনার জিল্লুর রহমান ঘুষের ৫০ লাখ টাকার ফেরত দিতে দু’টি তদন্ত কমিটিকে দিলেও তা ফেরত নিতে আপত্তি জানিয়েছে ঘুষ প্রদানকারী পুলিশ সদস্যরা। ঘুষের তহবিলের জন্য যে তিন পুলিশ সদস্য ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে একাউন্ট খুলে ছিলেন তারা ওই হিসাবে অ্যাকাউন্ট পেয়িং চেক জমা না দেয়ার জন্য তদন্ত কমিটি ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়েছেন। তাদের আপত্তি উপেক্ষা করে ওই চেক ব্যাংকে জমা দেয়া হলে তারা আর টাকা উত্তোলনের জন্য চেক প্রদান করবেন না বলে জানিয়েছেন।

 
অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটির  প্রধান উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আবু সালেহ মো. রায়হান জানান, এ কারণেই ব্যাংকে চেক দু’টি তারা জমা দিতে পারেননি।  পুলিশ সদস্য কবির হোসেন, বাবুল হাওলাদার ও আনিসুজ্জামানের নামে খোলা ওই একাউন্টে বর্তমানে ঘুষের ১৭ লাখ টাকা জমা রয়েছে। 
 
এদিকে, ঘুষ কেলেংকারির সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগে সাসপেন্ড হওয়া ১০ সদস্যকে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার অভিযুক্তদের হাতে পৌঁছা এ নোটিসের জবাব আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দিতে বলা হয়েছে।  সাসপেন্ড হওয়া উপ-পুলিশ কমিশনার জিল্লুর রহমানকে শো-কজ করা হলেও তার কপি বিএমপিতে আসেনি। তাকে  পহেলা জুলাই সাসপেন্ড করে সিলেট রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে। 
 

প্রসঙ্গত বিএমপির জনবল বৃদ্ধি করে সৃষ্ট পদে প্রায় ২৩০ জনকে পদোন্নতি দেয়ার আশ্বাস দিয়ে প্রায় কোটি টাকা উেকাচ আদায় করা হয়। পুলিশ সদর দপ্তরের সিকিউরিটি সেল তদন্ত করে ব্যাংকে ১৭ লাখ টাকার হদিস পায়। জিল্লুর রহমান ফেরত দেন আরো ৫০ লাখ টাকা