জেলার ফুলপুর উপজেলার রহিমগঞ্জ ইউনিয়নের পারতলা গ্রামে কাকলী (২৬) নামের ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর আগুনে পুড়ে রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোররাতে পারতলা গ্রামে কাকলীর এ ঘটনা ঘটে।
স্বামী মিজানুর রহমানের পরিবারের দাবি, কাকলী নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়েছে। এতে তার শরীরের ৮০/৯০ শতাংশ পুড়ে যায়। তাকে আশংকাজনক অবস্থায় সকাল ছয়টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে উন্নত চিতিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে টঙ্গী এলকায় মারা যায় কাকলী।
কাকলীর বাবা-মায়ের দাবি, তাকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে।
প্রতিবেশীরা জানায়, ঘড়ি-টিভির মেকানিক দুই বেয়াই হালিম ও কামালের বন্ধুত্ব থেকে কামালের কন্যা কাকলী ও হালিমের পুত্র মিজানুরের ১২ বছর আগে বিয়ে দেয়া হয়। তাদের ঘরে ১০ বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
তারা আরো জানায়, তাদের বিয়ে কাকলীর শ্বাশুড়ি মেনে নিতে পারছিলেন না। এতে তাদের সংসারে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকতো। সম্প্রতি তাদের সংসার থেকে পৃথক করে দেয়া হয়। তাতেও পারিবারিক কলহ থামছিল না। ঘটনার দিন রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদের ঘটনা হয়েছে।
ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজাহারুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মরদেহের ময়না তদন্ত শেষে ফুলপুরে আনা হবে।’
