কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দীন বলেছেন, কারাগারকে সংশোধনাগারে পরিণত করা হচ্ছে। আর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বন্দিদের আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো কারাগার থেকে মুক্ত হবার পর কারাবন্দিদের কর্মজীবন ও সমাজে পুনর্বাসিত হতে সহায়তা করা।
সোমবার গাজীপুরে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১ এ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড হাউজ ওয়্যারিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী ২২ জন বন্দিকে সনদপত্র বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২তে শিগগিরই বেকারি ট্রেনিং, পানি শোধনাগার প্রশিক্ষণ চালু করা হবে। এ কারাগারকে একটি মডেল কারাগারে রুপান্তরিত করা হবে।
কারাগারের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা। এতে জিআইজেড-এর সিনিয়র প্রেগ্রাম অ্যাডভাইজার তাহেরা ইয়াসমিন, প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী বন্দি রাশেদুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দিদের মুক্তির পর আয়-বৃদ্ধিমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এবং জিআইজেড যৌথ প্রকল্প হাতে নিয়েছে।
কারা অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘ইমপ্রুভমেন্ট অব দ্যা রিয়াল সিচ্যুয়েশন অব ওভারক্রাউডিং ইন প্রিজন্স ইন বাংলাদেশ'র (আইআরএসওপি) আওতায় কারাবন্দিদের জন্য বিভিন্ন কর্মদক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ইকোনোমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিএমজেড) পক্ষে এই প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা প্রদান করেছে জার্মান সহযোগী সংস্থা জিআইজেড।
প্রকল্পের অধীনে ঢাকা আহ্সানিয়া মিশন-এর সহযোগিতায় গত ২১ জুন থেকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-১ এর ২২ জন বন্দিকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড হাউজ ওয়্যারিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। সোমবার বন্দি প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র দেয়া হয়েছে।
