পিসিওস’র সঠিক ডায়েট

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০১৯, ২২:২৮

উম্মে সালমা তামান্না

পিসিওস বা পলিসিস্টিক ওভারিসিনড্রোম হলো হরমোনাল ভারসাম্যহীনতা, যার কারণে বিপাকক্রিয়ার ক্ষতিসাধন হয়, ওভারিতে ছোট ছোট সিস্ট তৈরি হয়, অনিয়মিত মাসিক হয় এমনকি বন্ধ্যাত্বও হতে পারে।

যারা পিসিওসএ আক্রান্ত তাদের অতিরিক্ত ওজন ঝেড়ে ফেলতে হবে, নিজেদের লাইফ স্টাইল পরিবর্তন করতে হবে এবং সঠিক খাদ্যাভাস গ্রহণ করতে হবে। ওজন যদি ১০%ও কমানো যায় তা হলে নিয়িমত মাসিক হওয়া শুরু হয়। পিসিওস রোগীরা যে সব খাবার বেশি করে খাবেন:

সবুজ শাক-সবজি: সবুজ শাক-সবজিতে প্রচুর ভিটামিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম,পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম থাকে; যা অতিরিক্ত ওজন কমায় এবং হরমোনাল ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ইনসুলিন উত্পাদন করে। যারা পিসিওসে আক্রান্ত তাদের তিন বেলার প্রধান খাবারে অবশ্যই সবুজ শাক-সবজি অন্তর্ভুক্ত রাখতে হবে।

রঙিন ফলমূল: বিভিন্ন ধরনের রঙিন ফল এবং লোজিআইফল অবশ্যই দৈনিক খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে যেমন- বেরিস, আপেল, নাশপাতি, পেয়ারা, আঙ্গুর, কমলা, চেরি ও শুকনো ফল। এ ছাড়াও মধ্যম জিআইফল যেমন আম, পেঁপে, কলাও খেতে হবে।

শস্য জাতীয় খাবার: লাল আটার রুটি, লাল চালের ভাত, গম, ভুট্টা, ডাল, বিচি জাতীয় খাবার, চিয়াসিড, কিডনিবিন, শিমের বিচিও খেতে হবে প্রতিদিন। এগুলো হরমোনাল ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে।

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার: প্রতিদিন খাবার তালিকায় ওমেগা-৩ যুক্ত খাবারও রাখতে হবে। সাধারণত সামুদ্রিক মাছ স্যামন, সারডিন, ম্যাকরেল, অয়েস্টার, চিংড়ি। এ ছাড়াও সয়াবিন, ক্যানোলা তেল, অলিভঅয়েল, কডলিভার তেল, ওয়ালনাট, কাজুবাদাম, কাঠবাদাম, অ্যাভকাডো এগুলোও পিসিওস নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ভালো খাবার। কাঁচা হলুদ, দারুচিনি ও ডার্ক চকোলেটও উপকারী খাবার।

যে সব খাবার খাওয়া যাবে না: ফাস্টফুড, প্রসেসড মিট, সাদা আটার রুটি, পাস্তা, অ্যালকোহল, অতিরিক্ত রেডমিট, চিনিও মিষ্টি জাতীয় খাবার, সফট ড্রিংকস।

লেখক: পুষ্টিবিদ