লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ‘ফেন্সিডিল খেয়ে মাতলামি করার অভিযোগে’ পুলিশের দুই কর্মকর্তাকে গণধোলাই দেয়া হয়েছে। বুধবার গভীর রাতে উপজেলার কাকিনা বাজারে এই ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত পুলিশ কর্তকর্তারা হলেন- কালীগঞ্জ থাানার এএসআই গোলাম মোস্তফা ও এএসআই আনিছুর রহমান। এ ঘটনায় গোলাম মোস্তফাকে বৃহস্পতিবার পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে থানা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, রাত একটার দিকে কাকিনা বাজার এলাকায় গোলাম মোস্তফা ও আনিছুর রহমান ফেন্সিডিল সেবন করে মাতলামী করছিলেন। খবর পেয়ে কাকিনা ছাত্রলীগ কয়েকজন নেতাকর্মী ও স্থানীয় লোকজন গোলাম মোস্তফাকে আটক করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে আনিছুর সরে পড়েন। স্থানীয় নেতাকর্মী ও জনগণ গোলাম মোস্তফাকে গণধোলাই দেন।
স্থানীয় লোকজনের চাপে গোলাম মোস্তফা সটকে পড়া পুলিশ কর্মকর্তাকে মোবাইল ফোনে ডেকে আনেন। উত্তেজিত জনতা এসময় ঐ কর্মকর্তাকেও মারধর করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের একাধিক নেতাকর্মী দাবি করেন, দীর্ঘদিন যাবত পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই গোলাম মোস্তফা প্রকাশ্যে বাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় ফেন্সিডিল সেবন করে এলাকার লোকজনের সাথে খারাপ আচরণ করে আসছেন।
কাকিনা বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান মিন্টু জানান, কালীগঞ্জ থানা পুলিশের ঐ কর্মকর্তা প্রায়ই গভীর রাতে কাকিনা বাজারে ফেন্সিডিল সেবন করে মাতলামী করে আসছেন।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মঞ্জুর রহমান বলেন, স্থানীয় লোকজনের সাথে বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। রাতেই এই বিষয়ে আপোষ-মীমাংসাও হয়েছে। তারপরও পুলিশ কর্মকর্তা এএসআই গোলাম মোস্তফাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
