‘ছিটমহলের অধিবাসীরা দীর্ঘদিন থেকে চাকরিসহ সকল ক্ষেত্রে বঞ্চিত ছিল। তাই ছিটমহলের বাসিন্দাদেরকে চাকরিতে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। ১৯৭৪ সনে ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি সম্পন্ন না হলে ছিটমহল বিনিময় হত না। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাস্তবায়ন করছে। বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সাথে ছিটমহলগুলো একীভূত হবে। ছিটমহলের অধিবাসীরা সমান সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবে।’
বৃহস্পতিবার দুপুরে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার আলোচিত দহগ্রাম তিনবিঘা করিডোর পরিদর্শন শেষে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী এ সময় ছিটমহলের বাসিন্দাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা ৬৮ বছর থেকে বঞ্চিত ছিলেন। আপনাদের দুঃখ-কষ্টের কথা জেনে আমরা বার বার এসেছি। আপনারা বাংলাদেশের ভোটার হবেন, জমির মালিকানা পাবেন। লালমনিরহাট জেলার ৫৯টি ছিটমহলের জন্য ৬১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আগামী মাসে বিজিবিতে বে-সামরিক পদে রিক্রুটিং হবে সেখানে আপনাদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। পুলিশ, বিজিবি ও আনসার পদে রিক্রুটিংয়ে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।’
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান। এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন এমপি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক, অতিরিক্তি সচিব (রাজনৈতিক) আবু হেনা মোহাম্মদ রহমাতুল মুনিম, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ(বিজিবিএম, পিএসসি, জি), রংপুর রিজিওনাল কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহফুজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।দেন।
এর আগে মন্ত্রী দহগ্রাম তিনবিঘা করিডোর পরিদর্শনে গেলে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী ৬১ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের একটি দল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে গার্ড অব অর্নার ও ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করেন।
