অজেয় হয়ে উঠছে টাইগাররা

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০১৫, ২৩:৫৯

উড়েই চলেছে সাফল্যের ঘুড়ি। বল্গাহীন ছুটছে আশার ঘোড়া। হাওয়ায় উড়ছে বিজয় নিশান। অর্জনের রঙে প্রতিদিনই চিত্রিত হচ্ছে নতুন নতুন দুর্লভ মাস্টারপিস। পাকিস্তান-ভারতের পর এবার দক্ষিণ আফ্রিকা বিজয়। দেশ, মহাদেশের সীমানা পেরিয়ে বাংলাদেশের সাফল্যের জয়গান এখন ক্রিকেট বিশ্বজুড়ে। তথাকথিত ‘পুঁচকে দলের’ তকমা তুলে নিয়ে বিশ্ব গণমাধ্যম এখন বাংলাদেশকে পরিচয় করে দিচ্ছে ‘উঠতি জায়ান্ট’, ‘অজেয়’, ‘পরাক্রমশালী’ দল  হিসেবে। যেসব বিদেশি গণমাধ্যম সবসময়ই ব্যস্ত থাকতো টাইগারদের খুঁত ধরতে তারাই এখন গলায় পরিয়ে দিচ্ছে প্রশংসার মালা। জয়গান গাচ্ছে মাশরাফি, সাকিব, তামিম, মুস্তাফিজ ও সৌম্যদের। এমনকি র্যাংকিংয়ের শীর্ষে থাকা দলগুলোকে সাবধান করছে, কোনভাবেই যেন এই দলটিকে অবজ্ঞা করে ভুল না করে। এও বলছে, এই দলটি আর পুরনো সেই দল নেই। এ এক অন্য দল; অজেয় দল।   

 
বাংলাদেশ টানা সিরিজ জিতবে-কয়েক বছর আগেও এই কথাটা বললে নির্ঘাত লোকে পাগল ঠাওরাতো। অথচ, দু’ বছরেই দৃশ্যপট এমনভাবে পাল্টে গেল যে এখন নিজে থেকে কিছু না বললেও মাঠেই প্রতিদিন, প্রতিনিয়ত নিজেদের প্রমাণ করছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা-তামিম ইকবালরা। জানান দিচ্ছেন নিজেদের যোগ্যতার। দুমড়ে মুচড়ে দিচ্ছেন প্রতিপক্ষকে। ষোল কোটি বাংলাদেশির সমর্থনে মাশরাফিদের হুংকারে ভেসে যাচ্ছে এককালের ‘ক্রিকেট মোড়ল’রা। মহেন্দ্র সিং ধোনি-বিরাট কোহলি থেকে শুরু করে এবি ডি ভিলিয়ার্স-হাশিম আমলা; হিংস  বাঘের সামনে প্রতিরোধই গড়তে পারছেন না কেউ।
 
১৯৯৯ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত বাংলাদেশ হেরেছে টানা ৪৭টি ওয়ানডে ম্যাচে। সেখান থেকে একটা সময় মাঝেমধ্যে ২-১টি ম্যাচ জেতা শুরু করল বাংলাদেশ। মাশরাফির নেতৃত্বে সেই বাংলাদেশ জিতল টানা চারটি সিরিজ। হেলায় হারাল পাকিস্তান-ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকাকে!
 
সময়ের ঘড়ি আরেকটু পেছনে ঘোরালে এই নামের সঙ্গে যুক্ত হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং নিউজিল্যান্ডের নামও। সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উইন্ডিজকে তাদের মাটিতে হারানোর গৌরব খানিকটা ম্লান হয়ে যায় যখন বলা হয়, তখনকার দলটি পূর্ণ শক্তির ছিল না। কিন্তু নিউজিল্যান্ডকে টানা দু’বার দেশের মাটিতে ‘বাংলাওয়াশ’ করে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণটা দুই বছর আগ থেকেই দিতে শুরু করে বাংলাদেশ।
 
গত নভেম্বরে জিম্বাবুয়েকে ৫-০ তে হোয়াইটওয়াশ দিয়ে শুরু। তবে মাশরাফির দল সেই সাফল্যকে বিশ্বকাপে টেনে নিতে পারবে কিনা সে নিয়ে সন্দিহান লোকের অভাব ছিল না। দুই সহযোগী সদস্য আফগানিস্তান এবং স্কটল্যান্ডকে হারাতে পারাই তাই বিদেশি গণমাধ্যমে বাংলাদেশের লক্ষ্য বলে বিবেচিত হচ্ছিল। সেই কাজটা আগেভাগেই করে ফেলেন সাকিবরা। তবে তারপরে যা করেন সেটার জন্য প্রস্তুত ছিল না তথাকথিত ‘মোড়লদের’ কেউই।
 
ঘরের মাঠে বাঘ বাইরে বিড়াল এই ধারণা যারা পোষণ করেন তাদের মুখে ছাই মেখে দেয় বিশ্বকাপের একটি ম্যাচ ইংল্যান্ডকে ১৫ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়ে। শেষ গ্রুপ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে প্রায় হারিয়ে দিচ্ছিল টাইগার বাহিনী। ২৮৯ রানের বিশাল টার্গেট উপহার দিলে নিউজিল্যাল্ড ওই ম্যাচ জিতে মাত্র তিন উইকেটে। বাজে আম্পায়ারিংয়ের শিকার না হলে তো ভারতকেও হারিয়ে দিচ্ছিল বাংলাদেশ।
 
মাঝে মাঝে হঠাত্ করেই বড় কোন দলকে হারিয়ে দেয়াটা বহু দিন ধরেই বাংলাদেশের অভ্যাস। বিশ্বকাপের সেই সাফল্যকে তাই ‘ঝড়ে বক মরা’র সাথে তুলনা করতে চেয়েছিলেন অনেকে। তাই চ্যালেঞ্জ ছিল সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখার।
 
প্রথমেই সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই। ৭৯ রান এবং সাত উইকেটে প্রথম দু’টি ম্যাচ জিতে নিয়ে আগেভাগেই সিরিজের ফলাফল নির্ধারণ করে ফেলে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে আট উইকেটের জয়ে নিশ্চিত হয় বাংলাওয়াশও।
 
এরপর ভারত। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সেই বিতর্কিত ম্যাচে হারের শোধ নেবার সুযোগ দেখছিলেন বাংলাদেশের সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমীরা। কি অসাধারণ ভাবেই না সুযোগটা কাজে লাগালেন মাশরাফিরা!
 
শক্তিমত্তায় এগিয়ে থাকার যুক্তিতে বরাবরই পূর্ণ শক্তির দল পাঠাতে অনীহ ছিল ভারতের। আর সেই ভারতকেই কিনা দোর্দণ্ড প্রতাপে উড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচ জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়ায় মহেন্দ্র ধোনির দল।
 
সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজ জেতার পর বাড়ির পাশের আনন্দবাজার, আজকাল তো বটেই বাংলাদেশের একসময়ের কঠোর সমালোচক হিন্দুস্তান টাইমস, টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়া টুডেও মুখরিত বাংলাদেশ বন্দনায়। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ফুটে উঠেছে কিভাবে র্যাঙ্কিংয়ে উপরের দিকে থাকা সবাইকে চমকে দিচ্ছে বাংলাদেশ।
 
‘দ্যা রাইজ অ্যান্ড রাইজ অফ বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম’ শিরোনামে টাইমস অফ ইন্ডিয়া সবিস্তারে বর্ণনা করেছে বাংলাদেশের সাফল্য যাত্রা। হিন্দুস্তান টাইমস শিরোনাম করে, বাংলাওয়াশ, ইটস টাইম উইয়ি গেভ বাংলাদেশ ডিও ক্রেডিট।
 
প্রতিবেদনে তারা বলে, গত মাসে ধোনির দল যখন বাংলাদেশ সফর করে তখন সবারই প্রত্যাশা ছিল সিরিজটি হবে সরল রৈখিক; জিতে যাবে ভারত। কিন্তু ফলাফল হল এর উল্টো। ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারলো বাংলাদেশ। ভারতীয় গণমাধ্যম ধোনিদের দোষ খুঁজে বের করে এমন কোন প্রতিবেদন নেই করেনি। কিন্তু গণমাধ্যম সবসময়ই যা করে এবারও তাই করেছে। সিরিজে বাংলাদেশ কি করেছে তা উপেক্ষা করে গেছে। বাংলাদেশের সামপ্রতিক পারফরম্যানস এই সাক্ষ্য দিচ্ছে দলটি রাইজিং টাইগার হয়ে ওঠছে। ক্রিকেটের পরাক্রমশালী দেশগুলোর তাদের গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।
 
ইন্ডিয়া টুডের শিরোনাম, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম: দ্যা টাইগার্স আর ইনভিনসিবল অ্যাট হোম’।
 
প্রতিবেদনে তারা বলে, ক্রিকেট বিশ্ব যখন ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত চলমান অ্যাশেজ সিরিজ কিংবা ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের উপর চোখ রাখছে, ঠিক তখন খুব কাছেই, বাংলাদেশের ক্রিকেটে একটি উল্লেখযোগ্য রূপান্তরের ঘটনা ঘটেছে। পরপর তিনটি পরাক্রমশালী দেশকে নাস্তানুবুদ করেছে দেশটি।
 
এই ম্যাচগুলো বাংলাদেশের পরিচিত কন্ডিশনে হলেও, দেশটির ক্রিকেট দলের রূপান্তরের ঘটনাটি কোনভাবেই উপেক্ষা করা যায় না। গত্বাঁধা নিয়মে বাঁহাতি স্পিনার নির্ভর দলটি সমপ্রতি বেশি বেশি করে পেসারদের উপর নির্ভর করছে। এই প্রক্রিয়ারই সর্বশেষ সংযোজন বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান।
 
অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীলতাও কমেছে। তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকারের মতো অভিজ্ঞ উদ্বোধনী জুটির পাশাপাশি দলে এখন ম্যাচ উইনারের ছড়াছড়ি। টাইগারদের এই উন্নতি কেবলমাত্র নিজ দেশের কন্ডিশনের সুবিধা নেয়া হিসেবে চিত্রিত করলে তাদের প্রতি অবিচার করা হবে। ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মতো অনেক দেশই শুধুমাত্র নিজ দেশে জ্বলে ওঠে। বিদেশে ম্যাচ জেতা সব দলের জন্যই কঠিন একটা বিষয়। বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে নকআউট পর্বে চলে আসার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর সেই উল্লেখযোগ্য মুহূর্তটার শুরু। দলটি এবং তাদের অন্ধ ভক্তরা মনেপ্রাণেই বিশ্বাস করে, এখন যে কোন দলকে হারাতে পারে তারা। দলের প্রধান মাশরাফিও বলেন, বড় দলকে হারানোর স্বপ্ন আমরা প্রায়ই দেখতাম। আমাদের সেই স্বপ্ন এখন সত্যি হয়েছে।
 
আনন্দবাজার পত্রিকা কোন রাখ ঢাক না রেখেই লিখেছে, এখন আর ‘জায়ান্ট কিলার’ নয়, বাংলাদেশই ‘জায়ান্ট’ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের প্রোটিয়াবধের পর তাদের শিরোনামগুলো দেখুন না- ‘প্রতিভার কোহিনূরের ছটায় বিশ্বে এখন বাঘের ডাক’, ‘আফ্রিকান সিংহও বিধ্বস্ত, বিশ্ব ক্রিকেটে ব্যাঘ্রগর্জন’, ‘সাকিবের হাত ধরে নতুন সূর্যোদয় বাংলাদেশের’, সিরিজ জিতে রাতভর রাজপথে বিজয়োল্লাস’।
 
আনন্দবাজার পত্রিকা একটি প্রতিবেদনে লিখেছে, ক্রিকেট মানচিত্রে বাংলাদেশ মানে তখনও ছিল রেকর্ডের দেশ এবং শেষোক্ত শব্দ জোড়া মোটেও সম্মানার্থে ক্রিকেটে মহাশক্তিদের টেবিলে ব্যবহূত হত না। সমীকরণটা সহজ। পদ্মাপারে যাও, অফ ফর্মে থাকা ব্যাটস?ম্যানদের একটু বাইশ গজে ফুর্তি-টুর্তির সুযোগ করে দাও। রেকর্ডের পর রেকর্ড করো, আর সিরিজটা যথা সামান্য শক্তি খরচ করে জিতে ফিরে এসো।
 
২০০৭-এর বিশ্বকাপে ভারত বধকে তখনও ধরা হত অঘটন। এ দিক ওদিক হঠাত্ হঠাত্ বিশ্ব ক্রিকেটের ‘বড় দাদাদের’ পেড়ে ফেলার কীর্তিকে দেখা হত করুণার চোখে।
 
বুধবার রাতেও চট্টগ্রামে আফ্রিকার ক্রিকেট ঐশ্বর্যের সর্বস্ব লুণ্ঠনের পর বাংলাদেশের জনতার নিশ্চিত সমালোচকদের সেই পুরনো মুখগুলো দেখতে ইচ্ছে করছে। নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা-এই নিয়ে ক্রিকেট দুনিয়ার পাঁচ উচ্চবিত্ত দেশকে ধুয়ে মুছে দেয়ার পর ইচ্ছে হওয়াটা অন্যায্য নয়। মহা প্রতিদ্বন্দ্বীদের এক আধ বার হারিয়ে দিলে তাকে জায়ান্ট কিলার বলা চলে। কিন্তু সেটা বারবার ঘটতে থাকতে তাকেই সাক্ষাত্ জায়ান্ট হিসেবে মেনে নিতে হয়। বুধবার রাতের পর বোধ হয় বাংলাদেশ ক্রিকেটের ক্ষেত্রেও এই তুলনাগুলোই প্রযোজ্য।
 
বিশুদ্ধবাদী সমালোচকেরা যা খুশি রায় দিতে পারেন। বিশ্ব ক্রিকেটে নক্ষত্ররা এর পরেও ভাবতে পারে টিমটার সাময়িক সুসময় চলছে। কিন্তু বাস্তব হল এর পর থেকে বাংলাদেশকে বাইশ গজে হালকাভাবে নেয়া মানে তুমি গেলে। নির্ঘাত মৃত্যু। তাচ্ছিল্য করবে যতটা ফেরতও পাবে ততটা।
 
আতিশয্য মনে হোক বা যুক্তিযুক্ত, বাংলাদেশ ক্রিকেটের আজকের উত্তরণের পিছনে এই উদাত্ত সমর্থন কিন্তু বরাবরের প্রেরণা। টিম হারুক, জিতুক যারা সব সময় টিমের পাশে থাকেন। মাঠে টিম নামলে অবধারিত ভাবে যারা  হয়ে যান টিমের দ্বাদশ ব্যক্তি। সমর্থনের উত্তাপ আর গর্জনে নামার আগেই প্রতিপক্ষ মনস্তাত্ত্বিক ভাবে ২-০ হেরে শুরু করে। কিন্তু সে সমর্থনে তো আর পরের পর ক্রিকেটিয় যুদ্ধ জেতা সম্ভব নয়। সেখানে স্কিল লাগে, প্রতিভা লাগে। লাগে লৌহ কঠিন মানসিকতা। যা সবার অলক্ষ্যে ধীরে ধীরে একত্র করেছে বাংলাদেশ। এবং সেই প্রতিভার কোহিনূরের ছটা এখন বিশ্বজুড়ে। বিশ্বজুড়ে তাই এখন বাঘের ডাক।
 
আরেক প্রতিবেদনে আনন্দবাজার পত্রিকা লেখে, গত বছর জিম্বাবুয়েকে হারানোটা ফ্লুক হয়ে থাকতে পারে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়কে সমালোচকেরা ব্যাখ্যা করতে পারেন এটা বলে যে, ইউনিস খানরা কবে আর ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলতে পেরেছেন? বিরাট কোহলি, মহেন্দ্র সিংহ ধোনিদের ২-১ উড়িয়েও কারও কারও কাছে শুনতে হয়েছিল, টানা ক্রিকেট খেলে টিম ইন্ডিয়া ক্লান্ত। সেই টিমকে হারানো এ রকম তো হয়েই থাকে!
 
দক্ষিণ আফ্রিকাকে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-১ উড়িয়ে দেয়ার ব্যাখ্যা খুঁজতে গেলে সমালোচককুল একটু সমস্যায় পড়তে পারেন। ডেল স্টেইন বা এবি ডি ভিলিয়ার্স টিমে ছিলেন না, কিন্তু এই টিমকে মোটেও দ্বিতীয় সারির বলা যাবে না। ব্যাটিংয়ে হাসিম আমলা, ফাফ ডু প্লেসিস, জেপি ডুমিনি, ডেভিড ‘দ্য কিলার’ মিলার, বোলিংয়ে মর্নি মর্কেল-ইমরান তাহিরের অভিজ্ঞ গতি-স্পিন জুটির সঙ্গে কাগিসো রাবাদার সাড়া জাগানো টাটকা পেস।
 
অধিনায়ক মাশরাফি মানতে না চাইলেও পরিসংখ্যান কিন্তু ‘জায়ান্ট’ বাংলাদেশের কথাই বলছে। চলতি বছরে অস্ট্রেলিয়ার পরেই ওয়ানডেতে সবচেয়ে সফল দলটির নাম যে বাংলাদেশ!
 
সেরাদের তালিকায় সত্যি সত্যি জায়গা করে নিতে, দেশের বাইরেও জিততে হবে বাংলাদেশকে। তবে আশার ঘোড়া যেভাবে টগবগ করে ছুটছে, তাতে দেশের বাইরেও বিজয় নিশান উড়াতে হয়তো খুব বেশি সময় নেবেন না তারা!