কুষ্টিয়া মিরপুরের গোবিন্দগুনিয়া ব্রীজ মারাত্বক ঝুকিতে

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৫, ০২:২৪

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া গঙ্গা-কপোতাক্ষ (জি,কে) প্রধান খালের উপর উপজেলার ধুবইল ইউনিয়নের গোবিন্দগুনিয়া নামক স্থানে অর্ধশত বছরের একটি সেতু রয়েছে। সেতুটি মিরপুর উপজেলার সঙ্গে পাশ্ববর্তী ভেড়ামারা উপজেলায় সড়ক পথে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান সেতু। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় সেতুটির রেলিং ভাংতে ভাংতে সেতুটি ন্যাড়া সেতুতে পরিণত হবার পাশাপাশি সেতুটির পাটাতনও মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে সেতুটি পরিণত হয়েছে অত্যাধিক ঝুকিপূর্ণ সেতুতে। সেতুটি দিয়ে যানবাহন চলাচল অত্যাধিক ঝুকিপূর্ণ হওয়া সত্বেও প্রতিদিন শতশত বালিবোঝাই ট্রাক, লোকাল বাস, মাইক্রোবাস, ইঞ্জিন চালিত যানবাহক চলাচল করছে। সেতুটির ঝুকিপূর্ণ দিক বর্ণনা করে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় একাধিকবারসহ জাতীয় ও স্থানীয় পত্র-পত্রিকায় অসংখ্য সংবাদ প্রকাশিত হওয়া সত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি। গত বছরের ১৭ অক্টোবর ওই সেতু দিয়ে স্কুলে যাবার সময় পার্শ্ববর্তী গোবিন্দগুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী শিশু ইভা ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মর্মন্তিকভাবে নিহত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ জেলা প্রশাসক, উপজেলা চেয়ারম্যান অতিসত্তর সেতুটি নির্মানের আশ্বাস দেন। তাদের সেই আশ্বাস এখনো আলো মুখ দেখেনি। ঝুকিপূর্ণ গোবিন্দগুনিয়া সেতুটির জন্য আর কতদিন অপেক্ষা করলে, আর কতজন শিশু ইভার বলি হলে, আর কতগুলো দুর্ঘটনা ঘটলে সেতুটি নির্মাণ কিংবা সংস্কার করে ঝুকিহীন নিরাপদ সেতুতে রুপ নেবে তা কেউ জানেনা।

 এদিকে গতকাল ১৬ জুলাই রাতে প্রবল বর্ষনে সেতুটির পূর্বপার্শ্বের পাটাতনের বেশ কিছু অংশ ভেঙ্গে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনই যথাযথ ব্যাবস্থা না নিলে উল্লেখিত সেতুদিয়ে চলাচলকারী ভারী যানবাহনের চাপে মারাত্বক দুর্ঘটনায় প্রানহানীসহ সেতুটি ভেঙ্গে ভেড়ামারা উপজেলার সাথে মিরপুর উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার সমুহ আশ্কংা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজাদ জাহান’র সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন বলে জানিয়েছেন।