পঞ্চগড় জেলার অভ্যন্তরে ৩৬টি ছিটমহলে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ জনগণনার চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন জনগণনায় ভারতে যাওয়ার জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন করেছেন ৪৬৭ জন।
২০১১ সালের হেডকাউন্টিং জরিপের তালিকা অনুযায়ী ৩৬টি ছিটমহলে ১৮ হাজার ৮৩৪ জন অধিবাসী ছিল। ২০১৫ সালের যৌথ জনগণনায় ২ হাজার ২৫ জন নতুন করে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বর্তমানে তাই ৩৬টি ছিটমহলের জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ২০ হাজার ৮৫৯ জন।
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে জেলার ৩৬টি ছিটমহলে ১৮টি ক্যাম্পের মাধ্যমে ৬ জুলাই থেকে শুরু করে ১৬ জুলাই পর্যন্ত এ জনগণনা কাজ শেষ করা হয়। জনগণনায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ২৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি প্রতিনিধি দল পঞ্চগড়ের ৩৬টি ছিটমহলের ১৮টি ক্যাম্পে জনগণনা কাজে অংশ নেয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের হেড কাউন্টিংয়ের জরিপ তালিকা অনুযায়ী পঞ্চগড়ের ৩৬টি ছিটমহলের অধিবাসী হিসেবে ১৯ হাজার ৪৩ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। সংশোধন করে পরে তা ১৮ হাজার ৮৩৪ জনে চূড়ান্ত করা হয়।
এবারের জনগণনার জরিপের তথ্য অনুযায়ী পঞ্চগড়ের ৩৬টি ছিটমহলে নতুনভাবে জন্মসূত্রে ১ হাজার ৫০২জন ও বৈবাহিক সূত্রে ৫২৩ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। বিয়ে করে পঞ্চগড়ের ছিটমহল থেকে অন্যত্র চলে গেছে ৬০১ জন।
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের যৌথ জনগণনার দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ গোলাম আজম আজ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসনের যৌথ জনগণনার দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ গোলাম আজম আজ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
