সৌম্যদের দুর্ভাগ্য

আপডেট : ২১ জুলাই ২০১৫, ২১:৪৯
 
এই অনুভূতিটা সৌম্য সরকার জানতে চাইতে পারেন মুমিনুল হকের কাছ থেকে। এক ফরম্যাটে ভয়ঙ্কর ধারাবাহিক পারফর্ম করেও অন্য ফরম্যাটে বসে থাকার যন্ত্রণা মুমিনুলের চেয়ে ভালো তো কেউ জানে না। টেস্টে বাংলাদেশের সফল ব্যাটসম্যানটির তাই ওয়ানডে খেলা হয় না। এবার সেই যন্ত্রণা টের পাচ্ছেন সৌম্য। সর্বশেষ দুই ওয়ানডেতে তার অপরাজিত ৮৮ ও ৯০! ১৬ ওয়ানডের ক্যারিয়ারে ৬৯২ রান করেছেন ৪৯.৪২ গড়ে। তারপরও সৌম্যকে টেস্টে বসেই থাকতে হল।
 
এ নিয়ে কাউকে দোষ দেওয়ার অবশ্য উপায় নেই। আদর্শ টেস্ট দল নিয়ে খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ; ৭ জন বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান, চার জন বিশেষজ্ঞ বোলার। এর মধ্যে সাকিব আল হাসান দুই ভূমিকাতেই বিশেষজ্ঞ। এই সাত ব্যাটসম্যানের সবাই এতোটাই অপরিহার্য যে, সৌম্যর জায়গা পাওয়া প্রায় অসম্ভব ছিল।
 
তামিম, সাকিব, মুশফিক ও মুমিনুল টেস্ট দলে অটোমেটিক চয়েস। ইমরুল কায়েস দারুণ ফর্মে আছেন, মাহমুদউল্লাহর অভিজ্ঞতা ও অফস্পিন মিস করার নয়। বাকী থাকেন কেবল লিটন দাস। তার সঙ্গে লড়াই হতে পারতো সৌম্যর। কিন্তু মুশফিক কিপিং না করায় লিটন অপরিহার্য হয়ে উঠেছেন। দুটো অন্তত দুরন্ত ক্যাচ নিয়ে যথার্থতা প্রমাণও করেছেন।
 
আসলে ক্রিকেট এমনই। ফর্ম সবসময় সব ফরম্যাটে যথেষ্ট হয় না। যে কারণে শুধু সৌম্য নন, টেস্ট শুরু হলে আফসোস করতে হয় দেশের অন্যতম সেরা দুই মারকুটে ব্যাটসম্যান নাসির ও সাব্বিরকে। একই কারণে ইমরুল কায়েসকেও ওয়ানডেতে দর্শক হয়ে থাকতে হয়।