শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে তার বিশ্ববিদ্যালয়ে রুটিন দায়িত্ব পালন ছাড়া নতুন কোনো নিয়োগ, ব্যবস্থা চালুকরণ বা কাউকে কোনো নতুন দায়িত্ব প্রদান থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি বলেন, ‘এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে হতে হবে আদর্শবান, নীতি-নৈতিকতায় আপোষহীন ও দক্ষ প্রশাসক।’
বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ সদস্য বিশিষ্ট সিনিয়র শিক্ষক প্রতিনিধিদলের সাথে বৈঠককালে এ সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রী। মন্ত্রী তাদের জানান—শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয় পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর জন্য উপাচার্যকে ডাকা হবে। তিনি আন্দোলনরত শিক্ষকদের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কাজে আত্মনিয়োগ করার পরামর্শ দেন।’
মন্ত্রী শিক্ষকদের সাথে তিন ঘণ্টা বৈঠক করেন। মন্ত্রী বলেন, ‘শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের একটি অত্যন্ত স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়। এটিকে গুণে-মানে, শিক্ষায়-গবেষণায় দেশের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আরো দক্ষ, যোগ্য, আন্তরিক ও নিষ্ঠাবান হতে হবে।’
তিনি আশা করেন—শিগগিরই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অচলাবস্থা কেটে যাবে।
প্রতিনিধিদলে ছিলেন প্রফেসর ড. সৈয়দ সামশুল আলম, প্রফেসর ড. ইয়াসমিন হক, প্রফেসর ড. মো. ইউনুস, প্রফেসর ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম, প্রফেসর ড. মো. আব্দুল গণি, প্রফেসর সৈয়দ হাসানুজ্জামান, প্রফেসর ড. দীপেন দেবনাথ ও মো. ফারুক উদ্দিন।
উল্লেখ্য, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য সম্পর্কে উত্তাপিত শিক্ষকদের সাথে অসদাচরণ, নিয়োগ দুর্নীতিসহ বিভিন্ন রকম অভিযোগ বিষয়ে শিক্ষকরা অব্যাহত আন্দোলন করে আসছেন।
বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব এ এস মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব হেলাল উদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
