ঈদের ছুটি শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার উদ্দেশে কর্মস্থলগামী মানুষের ঢল নেমেছিলো বরিশাল লঞ্চ স্টেশনে। সপ্তাহের শেষ দিনে এখান থেকে এক ডজনেরও বেশি লঞ্চ গতকাল যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হয়। এর মধ্যে পারাবত কোম্পানির ৩টি এবং কীর্তনখোলা, সুন্দরবন ও সুরভী কোম্পানির দুইটি করে লঞ্চের বাইরে ঢাকামুখী যাত্রী পরিবহন করছে টিপু, ফারহান-৮ ও দ্বীপরাজ।
নৌ-পথে যখন কর্মস্থলগামী মানুষের উপচে পড়া ভিড় ও নৌযানগুলোতে স্থান সংকুলান হচ্ছে না তখন আকাশ পথের যাত্রীরাও নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন না। মঙ্গলবার ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমান কোনো প্রকার ঘোষণা ছাড়াই ফ্লাইট বাতিল করে। ঐদিন ৭২ জন যাত্রী আটকা পড়েন। অনেক বিড়ম্বনার পর বুধবার ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইট এসে যাত্রীদের ঢাকায় নিয়ে যায়। ২০ মিনিটের যাত্রার জন্য ঢাকা ও বরিশাল প্রান্তের যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হয়েছে ২৪ ঘণ্টা। বেসরকারি বিমানের এ অবস্থার মাঝে সরকারি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আরো উদাসীনতার পরিচয় দিয়েছে যাত্রী পরিবহনে। ঈদ উপলক্ষে সকল রুটে ফ্লাইট বৃদ্ধি ও ভাড়া কমানো হলেও এ রুটে ফ্লাইট বৃদ্ধি করা হয়নি। ভাড়া কমানোর বিষয়টি জানে না বিমান যাত্রীরা। তার উপরে সিডিউল অনুযায়ী পতাকাবাহী এ বিমান যাত্রী নিয়ে ঠিকমত উড়ছে না বরিশালের আকাশে।
