পাঁচ নেতার নিয়ন্ত্রণে আওয়ামী লীগ

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০১৫, ০০:৩৬

পাঁচ নেতা নিয়ন্ত্রণ করছেন মহানগরীসহ পুরো খুলনা জেলার রাজনীতি। তাদেরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে আওয়ামী লীগের আলাদা আলাদা বলয়। ফলে দলে কোন্দল বাড়ছে। এদিকে শীর্ষ নেতাদের ছত্রছায়ায় দলের মধ্যমসারির ও উঠতি নেতারা ব্যস্ত টেন্ডারবাজিতে। অভিযোগ রয়েছে, টেন্ডারবাজির ভাগ-বাটোয়ারার টাকা পৌঁছে যাচ্ছে সব পর্যায়ে। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতারা কোন্দল ও টেন্ডারবাজিতে ব্যস্ত থাকায় চরম হতাশ তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের অন্যতম রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপির নেতাকর্মীরা মামলা ও গ্রেফতার আতংকে বর্তমানে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। গুটিয়ে নিয়েছে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড।

 
অনুসন্ধানে জানা যায়, খুুলনা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বরাবর দুইটি ধারা রয়েছে। এর মধ্যে মহানগর আওয়ামী লীগের এক গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মহানগর সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক এমপি ও অপর গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান এমপি। অপরদিকে জেলা আওয়ামী লীগের একটি অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেলা সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক শেখ হারুনুর রশিদ ও অন্য অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাধারণ সম্পাদক এস.এম মোস্তফা রশিদী সুজা। এই চার নেতার বাইরে খুলনা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ব্যাপক প্রাধান্য রয়েছে নগরীর ‘শিল্পাঞ্চল এলাকা’ বলে খ্যাত খালিশপুর-দৌলতপুর আসনের এমপি এবং সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের।
 
দীর্ঘ ১০ বছর পর গত বছরের ৩০ নভেম্বর খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম তালুকদার আব্দুল খালেককে সভাপতি ও মিজানুর রহমান মিজানকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেন। তবে খালেক-মিজানের দ্বন্দ্বের কারণে দীর্ঘ আট মাসেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা সম্ভব হয়নি। মূলত এই দুই নেতাকে দিয়েই ঢিমেতালে চলছে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ।
 
বিভক্ত মহানগর কমিটি: গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আগে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে প্রায় একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল সাবেক সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের। ২০০৯ সালের ১০ জুলাই রাতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে কেসিসির ২৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ ইকবাল বিথার নিহত হন। ওই সময় হত্যাকারী ও হত্যাকাণ্ডের পিছনের মদদদাতাদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে তত্কালীন সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের নেতৃত্বে নগরীতে জোরালো আন্দোলন গড়ে উঠে। এতে মিজানুর রহমান মিজান অনেকটা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। মিজান চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। বিথারের হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তালুকদার খালেক ও মিজানের মধ্যে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। যার বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়ে নেতাকর্মীদের মধ্যেও। কিন্তু গত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে তালুকদার খালেক বিএনপি প্রার্থীর নিকট পরাজিত হলে দলীয় রাজনীতিতে তার প্রভাব অনেকটাই কমে যায়। তালুকদার খালেকের অনুসারিরা মনে করেন এই পরাজয়ের পেছনে মিজানুর রহমান মিজানের হাত রয়েছে।
 
গত দশম জাতীয় নির্বাচনে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে দলীয় প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পান। কিন্তু জাতীয় পার্টির (জেপি) নেত্রী রাশিদা করিম নির্বাচন করার কারণে মিজান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে পারেননি। মিজান অনুসারিরা মনে করেন, রাশিদা করিমকে নির্বাচনে দাঁড় করানোর পেছনে ‘কলকাঠি’ নেড়েছেন তালুকদার খালেক। এভাবে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্য দিয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ দুই নেতার দ্বন্দ্ব ও মতানৈক্য ফের প্রকাশ্যে চলে আসে।
 
তবে এ ব্যাপারে মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান বলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের মধ্যে কোন দ্বন্দ্ব নেই। শিগগির মহানগর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা হবে। মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক এমপিও দ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, মহানগর আওয়ামী লীগে সবাই একাট্টা। অল্প সময়ের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা বলে বলে তিনি জানান।
 
জেলা কমিটির অবস্থাও বেহাল:খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের অবস্থাও প্রায় একই। জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক শেখ হারুনুর রশিদ এবং সাধারণ সম্পাদক সাবেক হুইপ এস.এম মোস্তফা রশিদী সুজার দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। জেলা আওয়ামী লীগে শেখ হারুনুর রশিদের চেয়ে সুজার দাপট বরাবরই বেশি। কিন্তু বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ও ওয়ান ইলেভেনের সময় হারুন গ্রুপের কাছে চরমভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলেন মোস্তফা রশিদী সুজা। ওই সময় শেখ হারুন জেলার রাজনীতি একাই নিয়ন্ত্রণ করেন। তবে ৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সুজা খুলনা-৪ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর জেলার রাজনীতি অনেকটাই তার নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
 
দীর্ঘ ১০ বছর পর গত ২৬ ফেব্রুয়ারি খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে শেখ হারুনের বিরুদ্ধে সভাপতি পদে লড়ার ঘোষণা দেন মোস্তফা রশিদী সুজা। সম্মেলনের দিন সুজার কর্মী-সমর্থকদের কাছে শেখ হারুনের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী বেধড়ক মারধরের শিকার হন। পরে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সমঝোতার মাধ্যমে শেখ হারুনকে পুনরায় সভাপতি ও মোস্তফা রশিদী সুজাকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেন। এরপর দীর্ঘ পাঁচমাস কেটে গেলেও এই দুই শীর্ষ নেতার দ্বন্দ্বের কারণে এখনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে এই দুই নেতাকে দিয়েই চলছে খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ।
 
শেখ হারুনুর রশিদ এ প্রসঙ্গে বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের কোন্দলের কারণে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা যাচ্ছে না, এটা ঠিক নয়। সাধারণ সম্পাদক দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। দেশের বাইরে আছেন। উনি এলে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করব। তবে এ ব্যাপারে এস.এম মোস্তফা রশিদী সুজার মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তার নিকটজনরা জানিয়েছেন, চিকিত্সার জন্য তিনি বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন।
 
এদিকে শেখ হারুনুর রশিদ, তালুকদার আব্দুল খালেক, এস. এম মোস্তফা রশিদী সুজা ও মিজানুর রহমান মিজানের বাইরে রয়েছে সাবেক শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং এক সময়ের শ্রমিকনেত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের আলাদা বলয়। মূলত নগরীর ‘শিল্পাঞ্চলখ্যাত’ খালিশপুর-দৌলতপুর এলাকা নিয়ে তার রাজনীতি চললেও খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে রয়েছে তার বিস্তর প্রভাব। এক সময় মন্নুজান সুফিয়ানকে ‘সততার রাজনীতির ধারক-বাহক’ বলা হলেও ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তিনি শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী হলে তার আগের পরিচয় অনেকটাই নিষ্প্রভ হয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে মন্ত্রী থাকাকালে তার এক ভাই ব্যাপক ক্ষমতাধর হয়ে ওঠেন।
 
খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং মত্স্য ও পশুসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দের জেলা পর্যায়ে প্রভাব না থাকলেও তার নিজ নির্বাচনী এলাকা ডুমুরিয়া-ফুলতলা উপজেলায় রয়েছে যথেষ্ট প্রভাব। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাকে খুলনার মন্ত্রী না বলে ‘ডুমুরিয়া-ফুলতলার’ মন্ত্রী বলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।
 
টেন্ডারবাজিতে নেতারা: শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি মধ্যম সারি এবং যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতারা ব্যস্ত আখের গোছাতে। আর এর সহজ পথ হিসাবে তারা বেছে নিয়েছেন টেন্ডারবাজি। জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করেন এসব নেতা। গত ২৪ মার্চ খুলনা ওয়াসার ১৫ কোটি এবং ৩১ মার্চ একই প্রতিষ্ঠানের অর্ধকোটি টাকার কাজ ভাগ-বাটোয়ারা করে নেন যুবলীগসহ সরকারি দলের নেতারা। এভাবে গত ১৩ মে খুলনা সিটি করপোরেশনের ২২ কোটি টাকা এবং গত ৬ জুন ওয়াসার ৩ কোটি টাকার কাজ ভাগ-বাটোয়ারা করা হয়। এর মধ্যে সিটি করপোরেশনের ২২ কোটি টাকার কাজের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের ঠিকাদারের মধ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এছাড়া সর্বশেষ গত ৩ জুন খুলনা বিভাগীয় শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ১০ কোটি টাকার কাজ ভাগ-বাটোয়ারা করে নেয়া হয়েছে।
 
মেয়াদোত্তীর্ণ সাত কমিটি: আওয়ামী লীগের সাতটি সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রম চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়ে। এ সংগঠনগুলো হচ্ছে— মহিলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুব মহিলা লীগ, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ও তাঁতী লীগ। এর মধ্যে আবার কয়েকটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে দীর্ঘ এক যুগ আগে। অন্যগুলোর কার্যক্রমও একেবারেই স্থবির হয়ে পড়েছে। গত ৬ বছরেও এসব সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়নি।
 
মামলায় দিশেহারা বিএনপি:একের পর এক মামলার কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছে খুলনা বিএনপি। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনের আগে ও পরে খুলনা জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে প্রায় ৬৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ সব মামলার মধ্যে রয়েছে ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, সরকারি কাজে বাধা, নাশকতা সৃষ্টি ও নাশকতা সৃষ্টি চেষ্টার অভিযোগ। ইতোমধ্যে পুলিশ ১৫ হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ২৫ মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে। বাকি ৩৯ মামলার অভিযোগপত্র খুব শিগগির দাখিল করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে। গ্রেফতার আতঙ্কে দলীয় কর্মকাণ্ডে যোগ দিতে পারছে না তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।  মামলার হাত থেকে রক্ষা পেতে অনেকেই আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। মামলা থেকে বাঁচতে মাত্র কিছুদিন আগে জেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব জাকির হোসেন বিপ্লব আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন।
 
এসব মামলায় চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাহারুজ্জামান মোর্তজা, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ তরিকুল ইসলাম, মহানগর যুবদলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শের আলম সান্টু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি আজিজুল হাসান দুলুসহ অর্ধশত সিনিয়র নেতা।
 
তবে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, হামলা-মামলায় যখন নেতাকর্মীরা জর্জরিত তখন কেন্দ্রীয় কমিটির তিন নেতা বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপি সভাপতি অধ্যাপক মাজিদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শরীফ শাহ কামাল তাজ এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. মামুন রহমান খুলনার নাম ব্যবহার করে রাজনৈতিক সুবিধা নিলেও তাদের নামে কোনো মামলা নেই। আন্দোলন-সংগ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত নেতাকর্মীদের পাশেও নেই তারা। তবে তারা তিনজনই সংসদ নির্বাচনের সময় সরব হন। মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক না থাকলেও বিত্ত-বৈভবের কারণে চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে রয়েছে তাদের শক্ত অবস্থান।
 
মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, মামলার কারণে নেতাকর্মীরা দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারছে না। তাছাড়া পুলিশও কোনো কর্মসূচি পালন করতে দিচ্ছে না। অনেক সময় অনুমতি দিলেও পার্টি অফিসের সামনে সমাবেশস্থল ঘিরে রাখছে।
 

আগামীকাল পড়ুন: খুলনা জেলার আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির ওপর প্রতিবেদন।