ভারি বর্ষণে উখিয়ায় ১৮ গ্রাম প্লাবিত

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০১৫, ১৩:৫৩
 
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে উখিয়ায় গত চার দিন ধরে ভারি বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে।  সীমান্তের পাহাড়ি ঢল ও নাফ নদীর জোয়ারের পানিতে ১২শ চিংড়ির ঘের ও ১৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া সড়কে গাছ পড়ে ও বেশ কয়েকটি এলাকার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে শনিবার মধ্যরাত থেকে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
 
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বালুখালী থেকে পালংখালী পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার নাফ নদীর বেড়িবাঁধ সংস্কার না করার কারণে পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে প্রায় ১২শ একর চিংড়ি ঘের তলিয়ে গেছে। এতে প্রায় তিন শতাধিক চিংড়ি ঘোর মালিকের ১০ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন  থাইংখালী গ্রামের চিংড়ি ঘের মালিক আলতাজ মিয়া।
 
এদিকে লাগাতার ভারি বর্ষণে প্রায় ১৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এসব এলাকার শতাধিক গ্রামীণ সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে গ্রামীণ যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে। শুক্রবার মধ্য রাত থেকে ভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকায় থাইংখালী, পানের ছড়া ও খুনিয়াপালং এলাকায় সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে যানবাহন শ্রমিকেরা জানিয়েছেন।
 
রত্নাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল কবির চৌধুরী, পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী ও জালিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন চৌধুরী অভিযোগ করেন, পাঁচ ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া খাল থেকে অবৈধ বালি উত্তোলন ও খাল দখল করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলার কারণে পানি নিষ্কাশনে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। যার ফলে ২/৩ দিনের বৃষ্টিতে এ উপজেলার অধিকাংশ জনপদ বিচ্ছিন্ন হয়ে গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত হয়ে এখানকার বসবাসরত জনসাধারণ পানিবন্দী অবস্থায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করতে হচ্ছে।