ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবনের ৬ হাজার ১৭ বর্গ কিলোমিটার বাংলাদেশ অংশের জীববৈচিত্র্যসহ মত্স্য সম্পদের মালিক বনবিভাগ। কিন্তু মালিক হলেও এখন বন সন্নিহিত লোকালয়ের প্রভাবশালীদের সিন্ডিকেট এখন সুন্দরবনের নদ-নদী ও খাল খণ্ড খণ্ড আকারে ভাগ করে ইজারা দিচ্ছে। এভাবে সুন্দরবনের ৪৫০টি নদ-নদী ও খাল বর্ষা মৌসুমের শুরুতে জেলেদের কাছে ইজারা দিয়ে অবৈধভাবে তারা হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।
অন্যদিকে জেলেরা বৈধভাবে সুন্দরবনে গিয়ে মাছের জন্য বলেশ্বর, যমুনা, কুঙ্গা, পশুর, শিবসা, মালঞ্চ, রায়মঙ্গল, আড়পাঙ্গাশিয়া, শ্যালা, চুনকুড়ি, খোলপেটুয়া, কটকা, আড়য়াশিবসা, শাকবাড়িয়া, ঝাপা, বেতমোর, ভোলা, মরাভোলা, মরাপশুর, বল, হড্ডা, হংসরাজ, কাগা নদী ও খালে গিয়ে জাল ফেলতে পারছেন না। সেখানে প্রভাবশালীদের ওই সিন্ডিকেটকে মোটা অংকের টাকা দিলে ৩টি অভয়ারণ্যের জলভাগসহ ১৮টি খালে মাছ শিকার নিষিদ্ধ সুন্দরবন এলাকায় বিশেষ জেলেদের মাছ ধরতে দেয়া হচ্ছে বলে জেলেরা অভিযোগ করেছেন। তবে সুন্দরবনে মাছ আহরণে নিয়োজিত কোন জেলেই জীবন রক্ষায় এসব প্রভাবশালীর নাম পরিচয় জানাতে রাজি হননি। পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের ধানসাগর স্টেশনের ওসি মো. সুলতান আহম্মেদ মুঠোফোনে বলেন, তিনি সম্প্রতি ওই স্টেশনে যোগদান করেছেন। তাই বিষয়টি তার জানা নেই।
