ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’ উপকূল অতিক্রম করার পর পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরেরর পরিচালক মো. শাহ আলম সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক বলেন, ঘূর্ণিঝড় বিকালে আরো উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে সন্ধ্যা নাগাদ চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে পারে। পরে এটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বৃষ্টি ঝড়িয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
তিনি জানান, কোমেন উপকূল পার হওয়ার সময় ৭০ থেকে ৯০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হওয়ার সঙ্গে ভারি বর্ষণ হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উপকূলীয় এলাকার নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিকের চেয়ে পাঁচ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় কোমেনের কারণে কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সঙ্কত এবং মংলা ও পায়রা বন্দরে ৫ নম্বর বিপদ সঙ্কেত দেখানো হয়েছে।
এদিকে সেন্টমার্টিন-টেকনাফ উপকূল হয়ে আজ সকালে চট্টগ্রাম ঊপকূলের কাছাকাছি পৌঁছায় কোমেন। ঝূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গাছ উপড়ে নিচে চাপা পড়ে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপে মোহাম্মদ ইসলাম ও পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় নুরুল ইসলাম ফকির নামে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
