গোপালগঞ্জে বোনের প্রেমিককে চোখ উৎপাটন ও দু’ হাত কেটে বিচ্ছিন্ন করে হত্যা মামলার ৪ আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার সকালে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এস.এম এমরান হোসেন এ তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, এ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর পাথালিয়া গ্রামের লায়েক আলী মোল্লার স্ত্রী শেফালী বেগম (৪২), তার তিন ছেলে মো. রবিউল মোল্লা (২৭), শরিফুল ইসলাম মোল্লা (২৪) ও মো. আরিফুল ইসলাম মোল্লাকে (২১) পুলিশ চট্রগ্রাম মহানগর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।
গত ৩০ জুলাই শেফালী বেগমকে পুলিশ চট্রগাম থেকে প্রথম গ্রেফতার করে। পরে তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক পুলিশ তার তিন ছেলেকেও ধরে ফেলে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. জাকির হোসেন মোল্লা জানান, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর পাথালিয়া গ্রামের অবসর প্রাপ্ত পুলিশের কনস্টেবল শওকত আকবর মোল্লার ছেলে শাহিন মোল্লার সাথে তার আপর বড় ভাই লায়েক আলী মোল্লার স্কুল পড়ুয়া মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ ছাড়া পৈতৃক জমিজমা নিয়েও দু’ ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। ঈদের দিন শাহিন তার প্রেমিকা চাচাত বোনকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়। এতে চাচা, চাচাত ভাই ক্ষিপ্ত হয়ে ঈদের দিন রাতে ৩ চাচাত ভাই শাহিনকে বাড়ি থেকে ডেকে পাশ্ববর্তী পুকুরপাড়ে নিয়ে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে দেহ থেকে দু’ হাত বিচ্ছিন্ন করে ও দু’চোখ তুলে দেয়। সন্তানকে বাঁচাতে পিতা শওকত আকবর এগিয়ে এলে ভাতিজারা তার দুই পা কেটে দেয়। ওই রাতে ঢাকা নেয়ার পথে শাহিন মারা যায়।
