বেজিংয়ে এবার শীতকালীন অলিম্পিক

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০১৫, ০২:৩৯

চীনের রাজধানী বেজিং ২০২২ সালের শীতকালীন অলিম্পিক আয়োজনের দায়িত্ব পাওয়ায় চীন সেদেশে শীতকালীন খেলাধূলাকেও এগিয়ে নেয়ার জন্য ভাল সুযোগ পেল। কেননা এর ফলে আরো বেশিসংখ্যক মানুষ বরফ ও তুষারের ইভেন্টগুলোতে অংশগ্রহণে অনুপ্রাণিত হবে। ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটি গত শুক্রবার মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত কংগ্রেসে বেজিংকে ২০২২ সালের আসরটি বরাদ্দের ঘোষণা দেয়। এর মধ্য দিয়ে বেজিং হবে গ্রীষ্মকালীন ও শীতকালীন অলিম্পিক আয়োজনকারী প্রথম স্বাগতিক শহর। রাজধানী বেজিং থেকে ১৫০ মাইল দূরের জাংজিয়াকোউ শহরে হবে খেলাগুলো। যদিও শহরটি গোবি মরুভূমির কাছেই। এ ব্যাপারে বেজিংয়ের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল কেবল কাজাখস্তানের আলম্যাটি শহর।

 
আগামী সাত বছরে গেমসটি আয়োজনের জন্য চীনকে অনেক কাজ করতে হবে। এর মধ্যে থাকবে এমনকি তুষার বানানোর কাজটিও। সেসব অবশ্য আরো অনেক পরের ঘটনা। তাছাড়া অলিম্পিক আয়োজনের সাথে যে বিপুল অবকাঠামো নির্মাণ জড়িত, সেসব বাড়বাড়ন্ত পর্যায়েই আছে চীনাদের। এ কারণেই আয়োজনটি পাবার পর বেজিংয়ের তিয়ান মান স্কোয়ারে ৩০ হাজার চীনা জাতীয় পতাকা উড়িয়ে ব্যাপারটি উদযাপন করে।
 
চীনের রাজধানীতে এর আগে ২০০৮ সালে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়। বেজিংয়ের আগে ২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার শহর পিয়ংচেঙ্গ শীতকালীন অলিম্পিক আয়োজন করবে। অপরদিকে গত আসরটি অনুষ্ঠিত হয় রাশিয়ান শহর সোচিতে, ২০১৪ সালে।
 
বেজিংয়ের প্রার্থীতার পক্ষের সংগঠকরা বেশ কিছুদিন ধরেই স্কুল, বাণিজ্যিক কেন্দ্র ও পার্কে প্রচারণা চালিয়েছিল। বিশেষ করে চীনের উত্তরাংশে যেখানে ৩০ কোটি মানুষের বাস। এমনিতেই স্কি ও আইস হকি চীনের উঠতি ধনীক শ্রেণির কাছে ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
 

এ প্রসঙ্গে বেজিং ২০২২ এর প্রচারণা কমিটির উপ-মহাসচিব ঝাও ইয়িনগ্যাং দায়িত্বটি পাওয়ার আগে বলেছিলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে এই ঝোকগুলো দেখতে পাচ্ছি। তাই বেজিংয়ের শীতকালীন অলিম্পিক জয় এইসব ক্রীড়ার জনপ্রিয়তা বাড়াতে বিরাট এক ব্যাপার।’—চায়নাডেইলি/ইকোনোমিস্ট।