বাগেরহাটে ৮২টি খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণ শুরু

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০১৫, ১৬:২৭
 
মংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক নৌরুট মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেল রক্ষায় বাগেরহাটের রামপালে চ্যানেল সংলগ্ন ৮২টি খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণ কাজ শুরু হয়েছে। বুধবার দুপুর থেকে জেলা প্রশাসনের পাঁচটি মোবাইল টিম দ্বিতীয় দফায় অবৈধভাবে খালের উপর নির্মিত বাঁধ উচ্ছেদ শুরু করে।
 
রামপাল উপজেলার বাঁশতলী ইউনিয়নের স্যাদলার খালের উপর নির্মিত বাঁধ কেটে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসন মো. জাহাংগীর আলম।
 
জানা গেছে, সরকারের রেকর্ড খালে অবৈধ বাঁধ দিয়ে প্রভাবশালীদের চিংড়ি (মাছ) চাষের ফলে উপজেলার প্রায় দুই শতাধিক খাল এখন মৃত প্রায়। এর ফলে মংলা-ঘষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলটি পলি জমে দ্রুত নাব্যতা হারাচ্ছে।
 
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. জাহাংগীর আলম জানান, ইতিপূর্বে চ্যালেন সংলগ্ন মংলা ও রামপাল উপজেলার ৩২টি খালের দুই শতাধিক অবৈধ বাঁধ উচ্ছেদ করে প্রশাসন। কিন্তু সম্প্রতি সময় আবারো কিছু অসাধু ব্যক্তি ঐ সকল খালে বাঁধ দিয়ে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করছে। 
 
রামপালের বাঁশতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, কেবল বাঁধ অপসারণই নয়, খালগুলোর নাব্যতা রক্ষায় দ্রুত খনন প্রযোজন। একই সাথে জোয়ারের পানি থেকে এলাকাবাসীকে রক্ষায় স্লুইজ গেট নির্মাণের দাবি জানান তিনি।
 
রামপালের ইউএনও রাজিব কুমার রায় জানান, সরকারের রেকর্ড সকল খালের বাঁধ অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।