কক্সবাজারের টেকনাফের অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করলেন নয়জন সচিবসহ উচ্চপর্যায়ের ১৩ কর্মকর্তা। গতকাল শুক্রবার বিকেলে তারা টেকনাফের সাবরাং এলাকায় সমুদ্র সৈকতের পাড়ে ট্যুরিজম উপক‚লের অর্থনৈতিক অঞ্চল ও টেকনাফ স্থলবন্দরের কাছে নাফ নদীর বুকে ভাসমান জালিয়ার দ্বীপ পরিদর্শন করেন।
গতকাল বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে কক্সবাজার টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক দিয়ে টেকনাফে এসে প্রথমে স্থলবন্দরের অভিবাসন কেন্দ্রে জেটি দিয়ে কোষ্টগার্ডের হাই স্পীডবোট যোগে নাফনদীর বুকে ভাসমান জালিয়ার দ্বীপ চারিদিকে ঘুরে দেখেন। এরপর তারা অর্ধশতাধিক গাড়ি বহর নিয়ে টেকনাফের মহেষখালীয়াপাড়া সৈকতের বালিয়াড়ির উপর দিয়ে প্রায় তিন কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সাবরাং উপক‚লের অর্থনৈতিক অঞ্চলে গড়ে তোলা ট্যুরিজম পার্কের জন্য নিধারিত বরা স্থান পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, টেকনাফকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বিশেষ উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। তারই সূত্র ধরে, নাফনদীর বুকে ভাসমান জালিয়ার দ্বীপ ও সাবরাং অর্থনৈতিক অঞ্চলে গড়ে তোলা ট্যুরিজম পার্কের পরিদর্শন। এখানে পার্কটি গড়ে উঠলে রাস্তা-ঘাটসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে। পাশাপাশি টেকনাফের মানুষের কর্মস্থানের জন্য একটি বড় সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং শাহপরীরদ্বীপের ভাঙ্গা বেড়ি বাধঁ করে দেওয়া হবে বলে আশ্বস্তু করেন। তিনি আরও বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে এ ট্যুরিজম এর কাজ শুরু করা হবে।
এসময় তার সফর আসা উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্য, ভ‚মি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব সফিউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম, সড়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ এন সিদ্দিক, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপ¶ের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) পবন চৌধুরী, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সচিব মনোয়ার ইসলাম, স্থানীয় সরকার সচিব আবদুল মালেক, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামাল উদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান অপরুপ চৌধুরী, বেজা প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. হারুনুর রশীদ, বেজা উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ এ কে এম মাহবুবুর রহমান ও উপসচিব মলয় চৌধুরী সাথে ছিলেন। এ তথ্যটি দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।