জেলার দেবিদ্বার উপজেলাধীন ফতেহাবাদ মাদরাসার ছাত্রী ইয়াসমিনকে খুনের ঘটনায় প্রেমিক ও ভাবীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নিহতের ভাই আল আমিনের করা মামলায় বৃহস্পতিবার পৃথক অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
আটকরা হলেন, উপজেলার ফতেহাবাদ নোয়াপাড়া গ্রামের নিহতের চাচাতো ভাই ও প্রেমিক আলী হামজা (২৬) ও নিহতের আপন বড় ভাই প্রবাসী মুকবুল হোসেনের স্ত্রী জামিনা বেগম। ওইদিন সিলেট থেকে হামজাকে এবং রাতে দেবিদ্বার থেকে জামিনা বেগমকে আটক করা হয়। পরদিন মঙ্গলবার হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
পুলিশ জানায়, প্রেমিক হামজা ভাবী জামিনা বেগমের সহযোগিতায় ইয়াসমিনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এক পর্যায়ে ভাবী জামিনা বেগমের সঙ্গেও হামজা অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এর মধ্যে ইয়াসমিন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এ ঘটনা ও পারিপাশ্বির্ক বিষয়বস্তু ধামাচাপা দিতে ৩১ জুলাই রাতে হামজা ও ভাবী জামিনা বেগম ঘরে ডেকে এনে ইয়াসমিনকে হত্যা করেন। পরে তারা লাশ বাড়ির পাশের একটি ডোবায় ফেলে আত্মগোপন করেন।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ময়না তদন্ত রিপোর্টে ইয়াসমিন অন্তঃসত্ত্বা বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
