চট্টগ্রামে জিপিএ কমেছে ৫১৭

আপডেট : ১০ আগস্ট ২০১৫, ০১:২৫

এইচএসসি পরীক্ষায় চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ-৫ গতবারের তুলনায় কমেছে। এই বোর্ডে এবার পাসের হার ৬৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ যা গতবারের চেয়ে ৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ কম। ২০১৪ সালে পাসের হার ছিল ৭০ দশমিক ৬ শতাংশ। এছাড়া জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই হাজার ১২৯ জন। গতবার এ সংখ্যা ছিল দুই হাজার ৬৪৬ জন। গতবারের তুলনায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী কমেছে ৫১৭ জন।

 
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২১৭টি কলেজ থেকে এবছর ৮০ হাজার ৭০৭ জন এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৫১ হাজার ২৪৩ জন উত্তীর্ণ হয়। বিজ্ঞান বিভাগে ৯ হাজার ২২৮, মানবিকে ১৫ হাজার ৬৪ ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাস করেছে ২৬ হাজার ৯৫১ জন। বিজ্ঞান বিভাগের গড় পাসের হার ৭৩ দশমিক ৮৭ শতাংশ, মানবিকে ৫২ দশমিক ৩৩ শতাংশ ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৬৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ।
 
চট্টগ্রাম বোর্ডের ফলাফলে এবার ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। ছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছে ৬৫ দশমিক ১১ শতাংশ। ৬১ দশমিক ৮১ শতাংশ ছাত্র উত্তীর্ণ হয়েছে। মহানগর বাদে চট্টগ্রাম জেলায় পাসের হার ৫৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ। গতবার এ হার ছিল ৬৩ দশমিক ৯০ শতাংশ। মহানগরসহ চট্টগ্রাম জেলায় পাসের হার ৬৬ দশমিক ২৪ শতাংশ। গতবার ছিল ৭১ দশমিক ১৭ শতাংশ।
 
কক্সবাজার জেলায় পাসের হার ৬৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। গতবার ছিল ৭২ শতাংশ। বরাবরের মতো এবছরও ফলাফলে পিছিয়ে রয়েছে তিন পার্বত্য জেলা। এর মধ্যে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে রাঙ্গামাটি। এ জেলায় পাসের হার ৪৩ দশমিক ৯১ শতাংশ। গতবার ছিল ৫৯ দশমিক ৫২ শতাংশ। খাগড়াছড়ি জেলায় পাসের হার ৫০ দশমিক ১৬। গতবছর ছিল ৬৩ দশমিক ২৮। বান্দরবান জেলায় পাসের হার ৫৭ দশমিক ৯৯। গত বছর ছিল ৬৫ দশমিক ২০ শতাংশ।
 

শিক্ষাবোর্ড চট্টগ্রামের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মাহবুব হাসান বলেন, আগে নিজ নিজ বোর্ড প্রশ্নপত্র তৈরি করতো। চলতি বছর থেকে নিজ বোর্ড বাদ দিয়ে বাকি ৭ বোর্ডের ২৮ সেট প্রশ্নপত্র থেকে যে কোনো চার সেট পছন্দ করা হয়েছে। আগে শিক্ষার্থীরা সিলেক্টিভ পদ্ধতি অনুসরণ করে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিত। পুরো বই পড়তো না। এখন ভিন্ন একটি বোর্ডের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ফলাফল ভালো করতে পারেনি।