গ্রাম পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে
ইত্তেফাক রিপোর্ট
গেল ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ হয়েছে। আগের জানুয়ারি মাসে এই হার ছিল ৫ দশমিক ৪২ ভাগ। গতকাল শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠক শেষে মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায় শহরাঞ্চলে কিছুটা কমলেও গ্রামীণ পর্যায়ে মূল্যস্ফীতির হার বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। সার্বিক ভাবে জানুয়ারিতে খাদ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৩৩ ভাগ হতে কিছুটা বেড়ে ফেব্রুয়ারিতে ৫ দশমিক ৪৪ ভাগ হয়েছে। অবশ্য এসময়ে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা কমে ৫ দশমিক ৫৭ ভাগ হতে ৫ দশমিক ৫১ ভাগ হয়েছে।
মূল্যস্ফীতির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এক মাসের ব্যবধানে ডিম, শাক-সবজি, ভোজ্য তেলসহ অন্যান্য খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। একইসঙ্গে খাদ্য বহির্ভূত খাত যেমন, পরিধেয় বস্ত্রাদি, বাড়ি ভাড়া ও বিদ্যুত্, চিকিত্সা সেবা, পরিবহন, শিক্ষা উপকরণের খরচ বেড়েছে।
শহর ও গ্রামীণ অঞ্চলের মূল্যস্ফীতির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গ্রামীণ অঞ্চলে ফেব্রুয়ারি মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ২৬ ভাগে যা জানুয়ারিতে ছিল ৫ দশমিক ১৪ ভাগ। এসময়ে গ্রামীণ অঞ্চলে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ২৮ ভাগ থেকে বেড়ে ৫ দশমিক ৪৮ ভাগ হয়েছে। অন্যদিকে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৪ দশমিক ৮৯ ভাগ থেকে কিছুটা কমে ৪ দশমিক ৮৬ ভাগ হয়েছে।
শহরাঞ্চলে ফেব্রুয়ারি মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৮৫ ভাগ যা জানুয়ারি মাসে ছিল ৫ দশমিক ৯৩ ভাগ। এসময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৪৩ ভাগ থেকে কমে ৫ দশমিক ৩৮ ভাগ হয়েছে। অন্যদিকে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৬ দশমিক ৫০ ভাগ হতে কমে ৬ দশমিক ৩৯ ভাগ হয়েছে।
