জেলার দেবিদ্বার উপজেলার পীর ফতেহাবাদ ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী নিহত ইয়াসমিন আক্তারের (১৪) লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।
ইয়াসমিনের পেটে থাকা সাত মাসের সন্তানের ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের জন্য জেলার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ লাশটি উত্তোলন করে।
প্রসঙ্গত, ১ অগাস্ট জেলার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ গ্রামে ইয়াছমিন আক্তার (১৪) নামে ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক মাদরাসা ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো ভাই ও প্রেমিক আলী হামজা (২৬) ও নিহতের আপন বড় ভাই প্রবাসী মুকবুল হোসেনের স্ত্রী জামিনা বেগম গ্রেফতার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় তারা।
উল্লেখ্য, প্রেমিক হামজা ভাবী জামিনা বেগমের সহযোগিতায় ইয়াসমিনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এক পর্যায়ে ভাবী জামিনা বেগমের সঙ্গেও হামজা অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এর মধ্যে ইয়াসমিন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এ ঘটনা ও পারিপাশ্বির্ক বিষয়বস্তু ধামাচাপা দিতে ৩১ জুলাই রাতে হামজা ও ভাবী জামিনা বেগম ঘরে ডেকে এনে ইয়াসমিনকে হত্যা করেন। পরে তারা লাশ বাড়ির পাশের একটি ডোবায় ফেলে আত্মগোপন করেন।
