আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অপরাধী যে দলের কিংবা যত প্রভাবশালীই হোক না কেন কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া আছে।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ঘটনার প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, সমাজে একটি অপরাধের বিচার না হলে আরেকটি অপরাধ প্রতিষ্ঠিত হয়। দল করবেন আর দলের শৃঙ্খলা মানবেন না— তা হতে পারে না। অবুঝ শিশু হত্যা ও অন্তঃসত্ত্বা নারীকে গুলি করে কেউ পার পাবে না। শেখ হাসিনার সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। অপরাধী যেই হোক, যে সংগঠনের হোক, যত প্রভাবশালীই হোক না কেন তাকে শাস্তি পেতেই হবে। অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৫ আগস্ট শেখ ফজলুল হক মণির অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকেও ঘাতকরা গুলি করেছিল। শিশু রাসেলকে হত্যা করেছিল। ৪০ বছর আগের ওই ঘটনায় কেউ প্রতিবাদ করেনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে যে হত্যার ঘটনাগুলো ঘটছে, তার বিচার অবশ্যই হবে। এ সময় ২১ আগস্টের ঘটনাকে ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতা উল্লেখ করে শেখ হাসিনাকে এর মূল টার্গেট করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
চিত্রনায়ক ফারুকের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, নাট্যব্যক্তিত্ব ফাল্গুনী হামিদ, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী দিলারা ইয়াসমিন, অভিনেতা ড্যানি সিডাক প্রমুখ।
বঙ্গবন্ধু হত্যার পরিকল্পনাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে:খাদ্যমন্ত্রী
খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। গতকাল দুপুরে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সাভারের আমিনবাজার এলাকায় দোয়া, মাহফিল ও গরিবদের মাঝে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। খুব দ্রুত বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে মন্ত্রী আরো বলেন, এত প্রতিকূলতার মধ্যেও পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। এটি শেখ হাসিনার পক্ষেই সম্ভব। শিক্ষা, কৃষি, খাদ্য, প্রযুক্তি, প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে আজ বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
